ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার সকালে অতুল চন্দ্র রায়ের (৬০) মৃতদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।এদিকে এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার রাতে নিহত অতুলের স্ত্রী দেবো বালা লুটপাট ও হত্যার অভিযোগ এনে ডোমার থানায় একটি মামলা করেছেন।
অতুল ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি ইউনিয়নের নয়ানী বাকডোকরা মাস্টারপাড়া গ্রামের বিষ্ট মোহন রায়ের ছেলে।
নিহত অতুলের জামাতা প্রদীপ চন্দ্র রায় জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তার শ্বাশুড়ি দেবো বালা দু’নাতনিকে নিয়ে যান ডিমলা উপজেলার ডালিয়ায় পুত্রবধূ ববিতা রানীকে আনতে।
সন্ধ্যার দেওয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করে তার শ্বশুরের মুখে টেপ ও হাত-পা শাড়ি দিয়ে পেছানো অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। এসময় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। দুর্বৃত্তরা টাকা, স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যান বলে দাবি করেন তিনি।
নিহতের স্ত্রী দেবো বালা বলেন, কি দোষ করেছিলো আমার স্বামী। তাকে হত্যা করা হলো? আমি বিচার চাই, বিচার চাই।
অপরাধীদের শাস্তি দাবি করে অতুল চন্দ্রের ছোট মেয়ে লিপি রানী রায় বলেন, কেন আমার বাবাকে হত্যা করা হলো। যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি চাই।
এ ব্যাপারে ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোকছেদ আলী জানান, রহস্যজনক মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। যারাই জড়িত থাকুক না কেন তদন্তের মাধ্যমে তা বের করে আনা হবে।





