ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি, কিন্তু নিজের আপনজন ছাড়া এই আনন্দ পরিপূর্ণতা পায় না। তাই যত কষ্ট হবে হোক, বাবা-মাসহ আত্মীয়-স্বজনদের সাথে ঈদ করতেই হবে। তাই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ঝুঁকি নিয়েও নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে শহরের মানুষ।
দেশের ৪১টি নৌ-পথ দিয়ে বুধবার (৩০ আগস্ট) থেকে বাড়ির পথে ঢাকা ছাড়তে শুরু করছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ। যাত্রীদের বাড়ি পৌঁছানোর জন্য আগে থেকেই সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বলে জানান লঞ্চ মালিকরা। তবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন বাড়ি যেতে ইচ্ছুকরা।
সুন্দরবন ১০ এর যাত্রী মেহেদি হাসান বিডি২৪লাইভকে জানান, যত কষ্টই হোক না কেন গ্রামে যেতে হবেই আমার। প্রয়োজন হলে হেঁটে যাবো। ভাড়া বেশি নিচ্ছে কিনা জানতে চাইলে বলেন, ডেকের ভাড়া ১০০ টাকা করে বেশি নিচ্ছে। আর ১৫০০ টাকার ক্যাবিন এখন ৩০০০ টাকা।
তিনি বলেন, আজকে কমই নিচ্ছে কাল ১৫০০ টাকার ক্যাবিন ৫০০০ টাকার বেশি হবে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যে ডেকে ১০০ জন মানুষ অবস্থান করতে পারবে, সেই ডেকে হাজারো মানুষ ঝুঁকি নিয়ে কষ্ট করে বাড়ি যাচ্ছে।তারপরও একটু ক্লান্তির ছাপ নেই তাদের চোখে মুখে।
লঞ্চ কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কথা অস্বীকার করে বলেন, দালালের খপ্পরে পরলে আমাদের কিছু করার নাই। আপনি ঠিক সময় মতো এসে টিকেট কেটে নেন। কোন অতিরিক্ত ভাড়া দেওয়া লাগবে না।
অতিরিক্ত যাত্রী নিচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১২০০ যাত্রীর জায়গায় ১৫০০ হতে পারে। ঈদের সময় তাই কিছু যাত্রী বেশি নেয়া হচ্ছে। তাছাড়া অন্য সময়ে বেশি যাত্রী নেয়া হয় না।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাড়া যেমন অতিরিক্ত নিচ্ছে, যাত্রীও পরিমাণের চেয়ে দিগুণ নিচ্ছে।প্রতিটি মানুষ তার নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই বাড়ি যাচ্ছে।





