‘আগামীতে কেউ গরু পালন করবে না। আমি যেমন ২০টা গরু পালন করেছি। আগামীতে আর একটিও পালবো না, কান ধরে বলছি আর একটিও পালবো না।’ এভাবেই নিজের কষ্টের কথা জানান,রাজধানীর গাবতলী হাঁটে গরু বিক্রয় করতে আসা মোঃ লিটন।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রতিবছর হাজার হাজার গরু নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা গাবতলীর হাটে আসেন। একটু বেশি লাভের আশায় নানান ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হয় তাদের। এরপরও অনেক ব্যবসায়ী গরু বিক্রি করতে না পেরে হতাশ হয়ে কোরবানি শেষে গরু নিয়ে বাড়ি ফিরে যায়।
কুষ্টিয়া থেকে ২৪টি গরু নিয়ে সোমবার (২৮ আগস্ট) রাতে গাবতলী হাটে আসেন মোহাম্মদ লিটন। একটি গরুও বিক্রি করতে পারেনি এখন পর্যন্ত। এই গরুগুলোর পেছনে তার প্রায় ৩৫লাখ টাকা খরচ হয়েছে বলে জানান তিনি।
লিটন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমি ৭জন মানুষ নিয়ে এসেছি। এদের প্রতিদিন ৫০০টাকা ও তিন বেলার খাবার মোট ৭০০ টাকা দিতে হবে। গরু বিক্রি হলেও দিতে হবে, না হলেও দিতে হবে।
আমাদের দেশের মানুষ যদি ন্যায্য মূল্যে গরু কিনে নেয়।তাহলে আমরা সবাই লাভবান হব। ইন্ডিয়া থেকে গরু এনে আমাদের দেশের বাজার ডাউন করে দিয়েছে। ইন্ডিয়ান গরু আশা বন্ধ করতে হবে।
কুষ্টিয়া থেকে ২৪টি গরু নিয়ে সোমবার (২৮ আগস্ট) রাতে গাবতলী হাটে আসেন মোহাম্মদ লিটন। একটি গরুও বিক্রি করতে পারেনি এখন পর্যন্ত। এই গরুগুলোর পেছনে তার প্রায় ৩৫লাখ টাকা খরচ হয়েছে বলে জানান তিনি।
লিটন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমি ৭জন মানুষ নিয়ে এসেছি। এদের প্রতিদিন ৫০০টাকা ও তিন বেলার খাবার মোট ৭০০ টাকা দিতে হবে। গরু বিক্রি হলেও দিতে হবে, না হলেও দিতে হবে।
আমাদের দেশের মানুষ যদি ন্যায্য মূল্যে গরু কিনে নেয়।তাহলে আমরা সবাই লাভবান হব। ইন্ডিয়া থেকে গরু এনে আমাদের দেশের বাজার ডাউন করে দিয়েছে। ইন্ডিয়ান গরু আশা বন্ধ করতে হবে।
গরু বিক্রি না করতে পারার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিক্রি করবো কি, ৫ লাখ টাকার গরুর দাম কয় আড়াই লাখ টাকা। ক্রেতারা সস্তায় কিনতে চায়। বাপের জমি জমা বিক্রি করে আনি দিয়ে যাব, আমরা চলি যাব ফাও। এক বস্তা চালের দাম ২ হাজার টাকা। প্রতিদিন একটি গরুর পেছনে প্রায় ৬০০টাকা খরচ হয়। লাল রংয়ের একটি গরু দেখিয়ে
তিনি বলেন, দুই বছর আগে এই গরুটি আমি কিনেছি ২ লাখ টাকা দিয়ে। কেনাসহ এর পেছনে খরচ আছে সাড়ে তিন লাখ টাকা। তাহলে আমাদের খরচ খরচা বাদ দিয়ে কিছু থাকবে। কিন্তু আমরা এর ন্যায্য মূল্য পাইনা সরকারের অবহেলার কারণে’।
সরজমিনে দেখা যায়, অসুস্থ গরু নিয়ে মন খারাপ করে বসে থাকা লিটন বলেন, আমরা বাজারে কোনো ডাক্তার পাচ্ছি না। কোন একটা গরু অসুস্থ হয়ে গেলে নির্ধারিত মেডিকেলের ডাক্তার পাচ্ছি না। যেকোনো একটা ডাক্তার নিয়ে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা করাই। সে ডাক্তার কিনা কে জানে?





