হান মুক্তিযুদ্ধে একমাত্র বেসামরিক ব্যক্তি যিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাব পেয়েছেন তিনি আর কেউ নন বাঘা সিদ্দিকী খ্যাত বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম। তাকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই।
জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর তার নেতৃত্বেই প্রতিরোধ যুদ্ধ হয়েছিল। এই মহান বীরের রাজনৈতিক শিষ্টাচার যথারীতি মুগ্ধ করার মতোই।
এবার তিনি জানালেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মনেপ্রাণে ধারণ করেন তিনি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সকালে তিনিও মারা যেতে পারতেন। সেদিন সকালে তিনি ছুটে গিয়েছিলেন বাঙালির প্রাণের ঠিকানা ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে। কিন্তু সেখানে যাওয়ার আগেই একজন তাকে জোর করে নিবৃত করে পাশের একটি বাড়িতে নিয়ে যান, মাথায় পানি ঢেলে তাকে শান্ত করেন। তখনো বঙ্গবন্ধুর লাশ ৩২ নম্বরে অযত্ন অবহেলায় পরে ছিল।
বঙ্গবীর জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছ থেকেই শিখেছেন বড়দের কিভাবে সম্মান করতে হয়। অনেক রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকেও বঙ্গবন্ধু আর্থিক সহযোগিতাও দিতেন নিয়মিত। রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সম্মানবোধ থেকেই তিনি এখনো সংবিধান প্রণেতা ও বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেনকে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করেন।
তিনি আরো বলেন, আমি খুব কম মানুষকে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করি, তাদের মধ্যে ড. কামাল হোসেন একজন।





