ঝালকাঠির গাবখান, গুয়াচিত্রা, শ্রীরামপুর, কৈখালী ও বাঘরিসহ স্থায়ী-অস্থায়ী বাজারগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতা সমাগমে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। এ বছর জেলার শতাধিক স্থানে বসেছে কোরবানির পশুর হাট। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ক্রেতারাও ভীর করছেন এসব হাটে।
হাটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, গত বছরের চেয়ে দাম অনেক কম থাকলেও এ বছর গরুর আমদামী তুলনামূলক কম। তার পরেও ক্রেতারা তাদের সাধ্যের মধ্যে কোরবানির পশু কিনতে হিমসিম খাচ্ছেন। এদিকে বেশি দামে দেশীয় গরু কিনে বিক্রি করতে না পেরে লোকসানের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মনির জানান, বাঘেরহাট, খুলনা, চিতলমারিসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ৮০টি গরু চড়ামূল্যে কিনে পরিবহণ ব্যয় মিলিয়ে ৫৫ লাখ টাকা দাম পড়েছে। স্থানীয় বাজারে সে তুলনায় দাম অনেক কম। আমাদের এ বছর লোকসান হবে। গত কয়েকদিন ধরে ভারতীয় গরু বাজারে আসতে শুরু হওয়ায় গরুর দাম কমছে। এ কারণে ব্যবসায়ী ও গরু মোটাতাজাকরণ খামারীরা লোকসানের আশঙ্কায় রয়েছে।
কোরবানির আগের দিন দাম আরও কমতে পারে এ ধারনায় অনেক ক্রেতা অপেক্ষা করছেন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। ঝালকাঠির রাজাপুরের বাঘরি বাজারে সর্বোচ্ছ ৪ লাখ টাকা দুটি গরু দাম হাকা হয়েছে। কোরবানির দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ক্রেতারাও ভীর করছেন এসব হাটে।
ক্রেতা আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ হাঁটে দেশি গরুর চাহিদা থাকায় দাম অনেক বেশি। তারপরেও ক্রেতার ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। তবে খাজনা রাখা হচ্ছে ৬০ হাজার টাকার গরু কিনলে ৩ হাজার টাকা।
ভারতীয় গরুর আসলেও দেশি গরুর দাম কমেনি বলেও জানান তিনি।
এদিকে স্থানীয় কেওতা গ্রামের খামারি আ. মালেকের একটি গরুর দাম উঠেছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।
এছাড়া পশুর হাটে অতিরিক্ত ইজারা আদায় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন অনেক ব্যবসায়ী। তবে বাঘরি বাজারের ইজারাদার শাজাহান সিকদার এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সরকার নির্ধারিত হারেই ইজারা নেওয়া হচ্ছে।
ঝালকাঠি জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হান্নান জানান, স্থানীয় বাজারগুলোতে মনিটরিং করা হচ্ছে। রোগাক্রান্ত কোনো পশু বাজারে উঠালে তা চিহ্নিত করা জন্য মোবাইল টিম রয়েছে।





