পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশু কোরবানির কারণে রাজধানীতে যেসব বর্জ্য হবে তা অপসারণের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন সকল ব্যবস্থা গ্রহন করেছে বলে জানিয়েছেন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সহকারি পরিচালক মনিরুজ্জামান চৌধুরী।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সহকারি পরিচালক জানান, মেয়র আনিসুল হক এবং সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রধান পরিচালক আসন্ন কোরবানির বর্জ্য অপসারনের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করেছে। আমাদের সব ধরনের গাড়ি, ট্রাক ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, কোরবানির পশু জবাই করার পর রাস্তায় যে রক্ত পরে থাকবে সেই রক্ত পরিস্কার করার জন্য আমাদের কাছে ইতোমধ্যে সেভলনসহ যেসব উপকরণ দরকার তা পরিচ্ছন্ন কর্মীদের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। এটা আমাদের প্রথম ধাপ।
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, আগামী শুক্রবার (২৫ আগস্ট) জুমার নামাজের সময়,প্রতিটি মসজিদের ইমাম সাহেবের মাধ্যমে জানানো হবে, কোরবানির পশু জবাই করার পর কোথায় কিভাবে রাখতে হবে।
কোরবানির বর্জ্য নিয়ে কারও কোন ধরনের চিন্তা করতে হবে না। গত বছর আমরা ২৪ ঘণ্টায় সব বর্জ্য পরিস্কার করতে সক্ষম হয়েছি।এবারও আমরা চেষ্টা করবো এই বর্জ্য যাতে আরও দুই ঘণ্টা আগে পরিস্কার করতে পারি। মানে ২২ ঘন্টায়।
পশুর বর্জ্য কোথায় রাখবে। প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুধু উত্তরের জনগণের জন্য সাড়ে ৩ লাখ পলিথিন ব্যবস্থা করা হয়েছে একদম ফ্রি। প্রতিটি ওয়ার্ড কাউন্সিলরের মাধ্যমে এই পলিথিন দেওয়া হবে। যদি কোন মানুষ এই পলিথিন না পায় আমি জানতে পারি তাহলে প্রয়োজন হলে আমি নিজে তার বাসায় গিয়ে দিয়ে আসবো।
শুধু জনগণের কাছে একটি দাবি, পলিথিনের মধ্যে যাতে সব ময়লা ঢুকিয়ে বাড়ির গেটের বাহিরে রেখে দেয়, তাহলে আমাদের পরিচ্ছন্ন কর্মীদের সুবিধা হবে ময়লা নিতে।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন আওতায় রয়েছে গাবতলী, আমিন বাজার, মিরপুর, মনিপুর, কচুক্ষেত, বিজয় স্মরণি। এই সকল এলাকায় বর্জ্য পরিস্কার দ্রুত পরিস্কার করা হবে।
শুধু বর্জ্য নয় উত্তরের আওতায় সব কয়টি গরুর হাঁটের হাসিলের দিকেও খেয়াল রাখবেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। যাতে কেউ অতিরিক্ত হাসিল আদায় করতে না পারে।





