দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, ‘বাংলাদেশে যথেষ্ট পরিমাণ খাদ্য মওজুদ রয়েছে। বন্যা কবলিত মানুষ যেন না খেয়ে মারা না যায় তার জন্য যা যা করা দরকার সেটা করতে হবে।

আরো একটি নির্দেশনা রয়েছে বিনা চিকিৎসায় যেন আর একটি মানুষও মারা না যায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। এ দুটি কাজ যদি আমরা করতে পারি তাহলে আমরা দ্রুত সময়ে দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে পারবো।’

বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ নিয়ে কোনো ছিনিমিনি বরদাস্ত করা হবে না। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো বাছাই করে ওই সব এলাকার রাস্তা ঘাট, ব্রিজ কালর্ভাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেরামত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’ এ ছাড়া বন্যার সময় ও বন্যার পরও ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আরিচা বেলায়েত হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বুধবার দুপুরে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও বিত্তশালিদের ত্রাণ কার্যক্রমে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মন্ত্রী। মানিকগঞ্জের বেশ কয়েকটি উপজেলায় বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ইতোমধ্যে ৬০০ মেট্রিক টন চাল ও ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বন্যা কবলিত এসব মানুষের মাঝে আরো ৩০০ টন চাল ও ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়ার ঘোষণা দেন মন্ত্রী।
এ সময় মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয়, মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম, ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গোলাম মোস্তফা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম, জেলা প্রশাসক মো. নাজমুছ সাদাত সেলিম, পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান, শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল মোহাম্মদ রাশেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় শিবালয় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৫০০ পরিবারের মাঝে ১২৪০ টাকা ব্যয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় ৯টি পণ্য বিতরণ করা হয়।