গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ ছাত্র হোস্টেলে চোরের উপদ্রব বেড়েছে। গত বেশ কিছুদিন ধরে মেডিকেল কলেজে পড়ুয়া ছাত্রদের আবাসিক হোস্টেলটি থেকে বিভিন্ন সময় ল্যাপটপ, মোবাইল, টিভি খোয়া গেছে।

বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের। বেশিভাগ চুরি গুলো সংগঠিত হচ্ছে রাতের আঁধারে।

গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে মেডিকেল কলেজের ৫ তলা ছাত্রাবাসের নীচতলা এবং ৩য় তলার ১০২, ১০৪, ৩০২ নাম্বার রুমের জানালা দিয়ে বাশঁ ঢুকিয়ে চুরির চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানায় ছাত্ররা। তবে এ যাত্রায় সফল হয়নি চোর। রুমের ভিতর বাঁশ ফেলে পালিয়ে যায় চোরের দল। তবে ইতোপূর্বে একই কায়দায় ১০৩, ১০৪ নাম্বার রুম থেকে চুরি ঘটনা ঘটেছিল বলে জানিয়েছে মেডিকেল কলেজের আবাসিক ছাত্ররা।

বার বার চুরির ঘটনাকে মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসহীনতাকেই দায়ি করছেন মেডিকেল কলেজে পড়ুয়া ছাত্ররা। তাদের দাবি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকার কারণে প্রতিনিয়ত চুরি ঘটনা ঘটছে। তারা আরো বলেন, যেহেতু জানালা খুলে চোর ভিতরে বাঁশ এবং অন্যান্য জিনিস ঢুকিয়ে দিচ্ছে সেক্ষেত্রে চোরের দ্বারা যেকোন সময় হোস্টেলে থাকা ছাত্ররা ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে বলেও ছাত্ররা মনে করছে।

এ বিষয়ে শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজর অধ্যক্ষ ডাঃ মোঃ আসাদ হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি সময়ের কন্ঠস্বরকে জানান, গতকালের বিষয়টি নিয়ে আমরা জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাথে কথা বলেছি। তিনি বিষয়টি পরিদর্শনে লোক পাঠাচ্ছেন। মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসের নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ বলেন, পর্যাপ্ত নিরপত্তা ব্যবস্থা বলতে যা বুঝায় সে ব্যবস্থা আমরা করতে পারিনি লোকবলের অভাবে। তবে চুরির বিষয়টিকে আমরা গুরুত্বের সাথে নিয়েছি।

বিষয়টি নিয়ে জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি সময়ের কন্ঠস্বরকে জানান, এ বিষয়ে আমাকে প্রিন্সিপাল সাহেব জানিয়েছেন তাদের আবাসিক এলাকাতে একটি ছাত্র হোস্টেল আছে সেখানে যাতে আমাদের টহল বৃদ্ধি করি। এর বাইরে কোন কথা হয়নি।