স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘ঈদ উপলক্ষে সড়কে যানজট নিরসনে আগামী ২৮ তারিখ থেকে পর্যায়ক্রমে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ছুটি প্রদান করা হবে। এর পূর্বে তাদের বোনাস দিয়ে দেওয়া হবে। যাওয়ার আগে বেতন ও অন্যান্য পাওনা মালিকরা শ্রমিকদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে পরিশোধ করবে।’
রোববার (২০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। ঈদুল আযহা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে করণীয় ও প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, ‘ঢাকা মহানগরীতে নিরাপত্তার জন্য মার্কেটগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা এবং মহাসড়কে প্রবেশ এবং বাহির পথে আমাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড যাতে না ঘটে সেদিকে নজর দেয়ার জন্য আমরা হাইওয়েসহ সব জায়গায় ব্যবস্থা নেব।’
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন লঞ্চ এবং ফেরিঘাটে আনসার মোতায়েন থাকবে। সারা নৌপথে কোস্টগার্ডের টহল থাকবে যাতে ভাঙ্গাচোরা লঞ্চ বের হতে না পারে। ওভারলোড যাতে না করতে না পারে সেদিকে নজর থাকবে। আমাদের নৌ পুলিশ প্রত্যেকটা টার্মিনালে অবস্থান করবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ঈদের ৩ দিন আগ থেকে নদী পথে কোন বালুবাহী ভেসে যেতে দেব না। একই সাথে জরুরি খাদ্য, এক্সপোর্ট, মেডিসিনের গাড়ি এবং পশুরগাড়ি ছাড়া বড়পথে অন্যকোন গাড়ি চলবে না।’
মন্ত্রী বলেন, ‘ঈদের সময় শিল্পাঞ্চলসহ সারাদেশে ফায়ার সার্ভিসের ৯৫টি ফায়ার টহল থাকবে। প্রতিবারের মত এবারও বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। সকল ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফায়ার রেস্কিউ টিম অবস্থান করবে।’
ঢাকাসহ সারাদেশের ঈদের জামাতের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঈদের জামাতগুলোতে যাতেকরে কোনোরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য আমরা খেয়াল রাখবো।’
চামড়া বেচা-কেনা নিয়ে যাতে করে কোনোরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি রাখবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সীমান্তেও নজরদারি বাড়ানো হবে।’
সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, পুলিশের আইজি, কোস্ট গার্ডের প্রধান, বিজিবি প্রধান, আনসার প্রধান, গোয়েন্দা সংস্থাদের প্রধান নির্বাহীরা, এফবিসিসিআই এর সভাপতি, বিজিএমই এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, বিকেএমই এর সভাপতি এবং অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।





