জিরা শুধু খাবারের স্বাদ বাড়াতে নয়, শরীরের সচলতা বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিনের ডায়েটে কোনও না কোনও ভাবে জিরাকে অনর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
হজম ক্ষমতার উন্নতির পাশাপাশি নানাবিধ পেটের রোগ সারাতে এই প্রকৃতিক উপাদানটি খুব উপকারী। অ্যাস্থমার প্রকোপ কমাতে এবং ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও কাজে আসে জিরা।
জিরার আরও অনেক উপকারিতা আছে, চলুন জেনে নেওয়া যাকঃ
১। হজম ক্ষমতার উন্নতিতে জিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জিরায় উপস্থিত থাইমল নামে একটি যৌগ এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। যারা হজমের সমস্যায় ভুগছেন, তারা প্রতিদিন ৩/৪ বার জিরা দিয়ে বানানো চা পান করুন। কয়েকদিন এমনটা করলেই উপকার মিলতে শুরু করবে।
২। যারা কনস্টিপেশন সমস্যায় ভুগছেন তারা আজ থেকেই জিরা পানি পান করা শুরু করুন। কারণ জিরাতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা বেশ কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দিয়ে কোষ্টকাঠিন্যের মতো রোগ সারাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, পাইলসের কষ্ট কমাতেও জিরা দারুনভাবে সাহায্য করে।
৩। জিরাতে উপস্থিত অ্যান্টি-ব্য়াকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি- ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ ঠান্ডা লাগা এবং জ্বরের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এই প্রাকৃতিক উপাদানটি শরীরের প্রবেশ করা মাত্র দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়।
৪। গর্ভাবতী মহিলাদের শরীর ঠিক রাখতে জিরার ভুমিকা বহুগুণ। এই সময় মায়েদের কনস্টিপেশন এবং হজমের সমস্যা হয়ে থাকে। জিরা এই দু ধরনের সমস্যা কমাতে দারুন উপকারে আসে। সেই সঙ্গে মাথা ঘোরা এবং গর্ভাবস্থা সম্পর্কিত আরও সব লক্ষণ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৫। পরিমাণ মতো মধুর সঙ্গে জিরা মিশিয়ে একটা ফেস প্যাক বানিয়ে নিন। এরপর সেটি নিয়মিত মুখে লাগাতে থাকুন। এর ফলে অল্প দিনেই ত্বকের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসবে। সেই সঙ্গে ত্বক আরও বেশি করে সুন্দর হয়ে উঠবে। সূত্রঃ টাইম্স অফ ইন্ডিয়া।





