দলবদলের সব রেকর্ড ওলট-পালট করে দিয়ে বার্সেলোনা থেকে একরকম যুদ্ধ করে নেইমারকে পেয়েছে পিএসজি। বিশ্বের সবচেয়ে দামি এই ফুটবলারের কাছে প্যারিসের ক্লাবটি কী চায়, সেটা আর বলে দিতে হবে না। তবে প্রথম পরীক্ষাতেই পাস করে গেলেন ব্রাজিল সুপারস্টার। রবিবার রাতে পিএসজির হয়ে অভিষেক ম্যাচে দেখালেন পায়ের কারুকাজ। বল পাঠালেন জালে। দলকে নিয়ে জয়ীর বেশে মাঠ ছাড়লেন ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে বার্সা থেকে পিএসজিতে আসা নেইমার।
রবিবার রাতে ফ্রান্সের লিগ ওয়ানে গ্যাঁগোঁর মাঠে নেইমারের সঙ্গে জোট বেঁধেছিলেন গত মৌসুমে দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা কাভানি। এই দুজনের সৌজন্যে ৩-০ গোলে জয় পায় প্যারিসের ক্লাবটি। ম্যাচের তিনটি গোলই হয় দ্বিতীয়ার্ধে। আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এদিনসন কাভানি। আর শেষের দিকে জয় নিশ্চিত করেন নেইমার।
পুরো ম্যাচেই গোলের বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি দেখিয়েছেন জাদুকরী পায়ের কাজ।
ম্যাচের ৩৫তম মিনিটে ডান দিক থেকে নেইমারের দারুণ এক ক্রসে মার্কিনিয়োসের হেড ক্রসবারে লাগায় এগিয়ে যাওয়া হয়নি পিএসজির। গোলের অপেক্ষা শেষ হয় দ্বিতীয়ার্ধের সপ্তম মিনিটে। অবশ্য সেটা প্রতিপক্ষের হাস্যকর ভুলে। ডি-বক্সের মধ্যে থেকে ব্যাকপাস দিয়েছিলেন ইকোকা, ঝাঁপিয়ে পড়েও ঠেকাতে পারেননি গোলকিপার। ৬২তম মিনিটে নেইমারের লম্বা রক্ষণচেরা পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিচু শটে গোলকিপারকে পরাস্ত করেন কাভানি।
৬৭তম মিনিটে কাভানির কাটব্যাক ফাঁকায় পেয়েছিলেন নেইমার; কিন্তু ঠিকমতো শট নিতে পারেননি। ৮১তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের কোনাকুনি জোরালো শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান গোলকিপার। তবে পরের মিনিটেই কাঙ্ক্ষিত গোল পেয়ে যান নেইমার। প্রথম প্রচেষ্টায় ঠিকমতো হেড করতে পারেননি; কিন্তু কাভানির ফিরতি পাস পেয়ে কাছ থেকে ডান পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। তাতে বিজয় নিশ্চিত হয়ে যায় গত ৫ মৌসুমে চারবার লিগ ওয়ান চ্যাম্পিয়নদের। আর দর্শকদের মন প্রথম সুযোগেই জয় করে নেন নেইমার।





