র্ষার মৌসুমে বৃষ্টির পানিতে আবদ্ধ মুন্সীগঞ্জ পৌরসভাধীন চরশীলমান্দির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পাচঁ শতাধিত শিক্ষার্থী। কালিদাস শাখা নদীর তীড়ে পশ্চিম পার্শ্বে ১৯৩৩ সালে চরশীলমান্দির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপিত্ব হয়। পরে ১৯৭৩ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয় করণ করার হয়েছে। বিদ্যালয়ের পূর্ব পার্শ্বে কালিদাস শাখা নদীর তীরে নতুন রাস্তা নির্মাণ করা হয়। এতে পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় দিনের পর দিন পানি জমছে বিদ্যালয়ের মাঠে। আর সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধাতা। বৃষ্টির পানিতে আবদ্ধ রয়েছে বিদ্যালয়ে পাচঁ শতাধিক শিক্ষার্থী। কয়েক দিন আগে ডোবার পানি কালিদাস নদীতে নেমে যেত। অন্যদিকে বিদ্যালয়ের মধ্যে দিয়ে রয়েছে মানুষের চলা চলের রাস্তা। সে রাস্তা দিয়ে অটো রিকশা ও অটো বাইক চলাচল করে। এতে বিদ্যালেয়র কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
অনুসন্ধানে জানা যায়, বিদ্যালয়ে কমিটিগত সমস্যা রয়েছে। দলীয় কোন্ধল থাকায় প্রায় এক বছর ধরে কমিটি হচ্ছে না। আর এই দলীয় কোন্ধলের স্বীকার বিদ্যালয়ের পাচঁ শতাধিক শিক্ষার্থী। পঞ্চম শ্রেণির একাধিক শিক্ষার্থীরা জানায়, পরীক্ষা দিতে হয় পচা পানি অতিক্রম করে। আমাদের পায়ে চুলকানি হয়েছে। বাথরুমে যেতে হলেও হাটু পানি অতিক্রম করে যেতে হয়। অনেকেই আবার পানি অতিক্রম করতে গিয়ে পড়ে বই খাতা ভিজিয়ে ফেলে।
চরশীলমান্দির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েল প্রধান শিক্ষিকা রাবেয়া বসরী (মুন্নি) বলেন, পানির সমস্যা কয়েক দিন ধরেই। বিদ্যালয়েল পূর্ব পার্শ্বে কয়েক দিন আগে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এতে কোন প্রকার পাইপ বা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে বিদ্যালয়েল পাচঁ শতাধিক শিক্ষার্থীদের পানি অতিক্রম করে পাঠ গ্রহণ করছে। তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের ভিতর দিয়ে মানুষ চলাচলের জন্য রাস্তা রয়েছে। এ রাস্তা দিয়ে অটো রিকশা ও অটো বাইক চলাচল করে। এতে মাঝে মাঝে আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রমও ব্যাহত হয়। বাচ্চারা স্বাচ্ছন্দে খেলাধুলা করতে পারে না। কিছু দিন আগে বিদ্যালয়ের একটি বাচ্চা দুর্ঘটনার স্বীকার হয়েছে।
বিদ্যালয়েল সাবেক সভাপতি মো. সাইদুর রহমান ভূইয়া বলেন, বিদ্যালয়েল জলাবদ্ধতার কথা আমি শুনেছি। কয়েক দিনের মধ্যে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করব এবং ভব্যিষতে যাতে বিদ্যালয়ে পানি না জমে তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





