বাংলাদেশ জাতীয় টেস্ট দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে প্রায়ই ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ও দর্শকদের তোপের মুখে পড়তে হয় । গতবছর ২০১৬ সালের বিশ্বকাপ টি-টোয়েন্টি আসরে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হারের পর ভারতীয়দের হাস্যরসের পাত্রে পরিনত হন টাইগারদের টেস্ট কাপ্তান।

ম্যাচটির শেষ ওভারে ভারতীয় অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়াকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই উদযাপন করে বসেন মুশফিক। একই আসরের সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ভারতের হারে টুইটারে ভারতীয়দের উপর ক্ষোভ ঝাড়েন মুশফিক। সেবার ভারতের কিংবদন্তী ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার পর্যন্ত মুশফিকের সমালোচনা করেন।

ভারতীয় ভক্ত ও কিংবদন্তীর পর আবারও মুশফিকের পিছে পড়েছে। সম্প্রতি কোন কারণ ছাড়াই -মুশফিকুরের উলটো পথে হেঁটে ধোনি বন্দনা

তারকা বাংলাদেশের ক্রিকেটারের, কারণ কী- শিরোনামে একটি সংবাদ প্রাকশ করেছে সংবাদ মাধ্যমটি।

যেখানে সাব্বিরের সাথে ভারতীয় সাবেক অধিনায়ক ধোনির একটা ছবির প্রসঙ্গও টেনে আনা হয়। এ সংবাদটি হুবহু তুলে ধরা হল:
হঠাৎ ধোনি বন্দনায় মেতে উঠলেন কেন বাংলাদেশের জাতীয় দলের তারকা। পিছনের কারণ জেনে নিন।

সম্প্রতি ধোনির সঙ্গে ছবি পোস্ট করে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন বাংলাদেশের ক্রিকেট তারকা সাব্বির রহমান। ধোনিকে ‘কিংবদন্তি’ আখ্যাও দেন তিনি। গত বছরেই বাংলাদেশের জার্সিতে টেস্টে অভিষেক হয় সাব্বিরের। একদিনের জার্সিতে অবশ্য গত তিন বছর ধরেই জাতীয় দলের জার্সিতে নিয়মিত। তাঁর বিগ হিটিং ক্ষমতা প্রশংসা আদায় করে নিয়েছে ক্রিকেট সমালোচকদের।

উঠতি তারকা সাব্বির সম্প্রতি ধোনির সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘটে। তারপরেই ধোনির সঙ্গে ছবি তোলেন সাব্বির। সেই ছবিই নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে পোস্ট করে সাব্বির লেখেন, ‘‘কিংবদন্তি এমএস৭-এর সঙ্গে। ’’ ধোনির আদ্যক্ষর ও জার্সি নম্বর মিলিয়ে সাব্বির লেখেন ‘এমএস৭’।

এর আগে কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে এসেছিলেন মাশরাফি মোর্তাজা। তিনিও ভারতীয় ক্রিকেটারদের সঙ্গে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের সৌহার্দ্যের কথা বলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘‘ভারতীয় ক্রিকেটারদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক সবসময়ে বন্ধুত্বপূর্ণ। বার্মিংহ্যামে শেষ ম্যাচের পরেও আমরা আড্ডা দিয়েছিলাম। যুবরাজ এখনও আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের অন্যতম। মাঠে আমরা স্লেজিং করি, তবে কখনই সেটা সীমা ছাড়ায় না। ’’

মুশফিকুর রহিম ভারত বিদ্বেষী মনোভাব পোষণ করলেও ভারতীয় ক্রিকেটারদের সুহৃদও যে রয়েছেন ওপার বাংলায়, এতেই প্রমাণিত।