নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে চলন্ত ট্রাকে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চালক ও হেলপারের বিরুদ্ধে।

গাজীপুর থেকে অভিমান করে পালিয়ে আসা এক কিশোরীকে ট্রাকে পালাক্রমে ধর্ষণের পর সিদ্ধিরগঞ্জের এসিআই এলাকায় কিশোরীসহ ট্রাক ফেলে রেখে ট্রাকের চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়।

বুধবার সকালে এলাকাবাসীর সহায়তায় পুলিশ ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য ১০০ শয্যা বিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

জানা যায়, ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী (১৫) নিজ বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়া এলাকায়। মঙ্গলবার বিকালে মেয়েটি তার মায়ের সাথে অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়। আনুমানিক রাত ৮টায় গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকা থেকে মালবাহী ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো ট-০২-০৩৪৪) চালক মেহেদী হাসান ও হেলপার সোহান তাকে জোরপূর্বক ট্রাকে তুলে নেয়। পথিমধ্যে ওই কিশোরীকে চালক ও হেলাপার মিলে পালাক্রমে ৬বার ধর্ষণ করে।

এসময় স্থানীয় লোকজন থেমে থাকা ট্রাক থেকে একটি মেয়ের কান্নার আওয়াজ পেয়ে ওই কিশোরীকে দেখতে পায়। এরপর পুলিশে খবর দিলে পুলিশ কিশোরীকে উদ্ধার করে। কিশোরী পুলিশকে জানায়, ট্রাকের ড্রাইভার ও হেলপার তাকে ধর্ষণ করেছে। পরে পুলিশ কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

পুলিশ অভিযুক্ত ট্রাক চালক মেহেদী হাসানকে সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করলেও হেলপার সোহান পলাতক রয়েছেন। পুলিশ ট্রাকটি আটক করেছেন।

ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বরাত দিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সাত্তার জানান, মঙ্গলবার বিকেলে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে আসে ওই কিশোরী। রাত ৮টার দিকে গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকা থেকে ট্রাকের চালক ও হেলপার তাকে ট্রাকে (ঢাকা-মেট্রো ট-০২-০৩৪৪) তুলে নেন। পথে বিমানবন্দর এলাকায় ট্রাক চালক মেহেদী হাসান ও হেলপার সোহান তাকে ধর্ষণ করেন।