দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের রাজধানীতে প্রবেশের অন্যতম পথ সদরঘাট টার্মিনাল।এখান থেকে বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। টার্মিনালের কুলিদের কাজ থেকে এসব যাত্রীরা বিভিন্ন ভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় তাদের হয়রানির চিত্র। যাত্রীরা সিএনজি বা রিকশা থেকে নামার সাথে সাথে তাদের ব্যাগ লাকেজ টেনে নিয়ে গিয়ে দাবি করে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা । টাকা না দিলে গেট দিয়ে ঢুকতে দেওয়া হয় না।
রাবেয়া বেগম থাকেন সায়েদাবাদ তার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী তিনি বিডি২৪লাইভকে বলেন, আমি যে সময়েই বাড়িতে যাই এদের ৫০০ থেকে ৬০০ করে টাকা দিতে হয় নার দিলে গেট দিয়ে ভিতরে যেতে দেয় না।
তিনি বলেন,গ্রাম থেকে ফোন আসছে বাবা অসুস্থ তাই বেশি টাকা নিয়ে আসতে পারি নামই যে টাকা নিয়ে এসেছিলাম তা রেখে দিলো।
কত টাকা নিয়েছে এবং কেন নিয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,একটা বড় ব্যাগ নিয়ে এসেছি আমি নিজেই নিতে পারতাম কিন্তু ওরা (কুলি) জোর করে নিয়ে দিয়ে এখন ৬০০ টাকা দাবি করে। অনেক অনুরোধের পর ৫০০ টাকা নিছে।
আতাউর রহমান বাড়ি বগুড়া সে বরিশাল পলি টেকনিকেলে ২য় বর্ষের ছাত্র বিডি২৪লাইভকে বলেন, আমি একটা কম্পিউটার মনিটর নিয়ে যাবো রিকশা থেকে নামার সাথে টানা হেচড়া শুরু করছে কুলিরা। তারা বলছে, আমরা নিয়ে দিবো আমি নিজেই নিতে পারবো বললে আমার কাছে তারা ৫০০ টাকা দাবি মি কেন টাকা দিবো জানতে চাইলে তারা বলে আমাদের এখানে নিয়ম আছে মাল আমরা নিয়ে দিলেও টাকা দিতে হবে আপনি নিজে নিলেও টাকা দিতে হবে। এখান থেকে আবার আমরা ঘাটের ভাড়া দিবো আমি ২০০ টাকা দিতে চাইলে তারা নেয় নি। শেষে ৫০০ টাকা দিয়েই আমাকে আসতে হয়েছে।
এ বিষয়ে ঘাট ভাড়া আদায়কারীর সাথে কথা বলতে চাইলে সে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হয়নি।
কুলি মোবারক হোসেন কার্ড নং ৭১১ তার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা অন্যায় কিছু করছি না। আমাদের ভাড়া আর ঘাটের ভাড়া এক সাথে নিচ্ছি। যাদের মালামাল নিজেরা নিতে পারবে তাদেরকে নিতে দিচ্ছেন না কেন জানতে চাইলে কথা না বলে চলে যায়।





