জয়া আহসান দুই বাংলাতেই সমান জনপ্রিয়। মডেলিং ও টিভি নাটকের পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেও বেশ সুনাম অর্জন করেছেন। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ব্যাচেলর।
তিনি নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত সৈয়দ শামসুল হক’র নিষিদ্ধ লোবান উপন্যাস অবলম্বনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত গেরিলা চলচ্চিত্রে বিলকিস বানু চরিত্রে এবং রেদওয়ান রনি পরিচালিত চোরাবালি চলচ্চিত্রে সাংবাদিক নবনী আফরোজ চরিত্রে অভিনয় করে টানা দু’বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-এ শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে পুরস্কার লাভ করেন।
কিছুদিন আগেই তাঁর অভিনীত ‘বিসর্জন’ জিতে নিলো ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
অভিনয়য়ের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে এবিপি আনন্দের সেরা বাঙালি ২০১৭ পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত অভিনেত্রী জয়া আহসান। জয়ার হাতে এই পুরস্কার হাতে তুলে দেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।
এর আগে এই পুরস্কার পেয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী, সব্যসাচী চক্রবর্তী, পাওলি দাম, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, রাহুল বোস, দেবশঙ্কর হালদারের মতো ব্যক্তিত্বরা। এবিপি আনন্দের মতে অসাধারণ অভিনয় দক্ষতায় দুই বাংলার হৃদয় জয় করে নিয়েছেন জয়া।
এপাড় বাংলায়ও রয়েছে সমান প্রাপ্তি। ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জিরো ডিগ্রি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ফের জিতলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেছেন সম্প্রতি। পুরস্কার গ্রহণকালে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পেয়েছেন প্রশংসা।
তিনি বলেন ‘প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন আমাদের মা। তাঁর কাছ থেকে কোনো প্রশংসা পাওয়া সত্যই সৌভাগ্যের। আমাকে আলাদাভাবে মেনশন করে প্রশংসা করেছেন সেটা ছিল আরও বড় পাওয়া। কলকাতায় আমার একটা পোগ্রামে যাওয়ার কথা ছিল। সেটা মনে হয় কেউ প্রধানমন্ত্রীর কাছে বলেছেন। তিনি তখনই নাকি বলেছেন ওর দায়িত্ব আছে। দেশপ্রেম আছে। ওপার বাংলায় এত জনপ্রিয় হয়েও দেশকে সবসময় সম্মান দিয়ে চলে।’
বৃষ্টি তোমাকে দিলাম নামে নতুন একটি সিনেমার কাজ শুরু করেছেন তিনি । নতুন নির্মাতার কাজ। খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্র। তিনি ছাড়াও এই ছবিতে আছেন চিরঞ্জিত, রাজেশ শর্মা।





