কায়দা আমপারা তারপর কোরান পড়া শেখাতে গিয়ে প্রবাসির স্ত্রী ৩ সন্তানের মাকে নিয়ে অজানায় পাড়ি জমালেন মসজিদের পেশ ঈমাম।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গার কালিদাসপুর ইউনিয়নের আসাননগর গ্রামের ১ সন্তানের জনক তরিকুল ইসলাম (৩০) প্রায় ২ বছর পূর্বে আলমডাঙ্গার গোবিন্দপুর মাঠপাড়া জামে মসজিদের পেশ ঈমাম হিসেবে যোগদান করেন।
এরই এক পর্যায়ে মসজিদের পাশের বাসিন্দা বর্তমানে মালয়েশিয়া প্রবাসি ইউনুস আলী ওরফে ছফুর স্ত্রী ৩ সন্তানের মা সেলিনা খাতুনকে কায়দা পড়া শেখাতে শুরু করেন।
প্রতিবেশিরা জানিয়েছেন, আমপারা পড়ানোর কিছুদিনের মধ্যেই সেলিনা খাতুনের প্রেমে পড়ে যায় ঈমাম তরিকুল ইসলাম। এ নিয়ে পাড়ায় কানাঘুষাও চলছিল।
পূর্বে বাড়ি থেকেই তিনি মসজিদে যাতায়াত করতেন। সেলিনা খাতুনের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে তরিকুল ইসলাম মাঝে মধ্যে বাড়ি না ফিরে মসজিদেই অবস্থান শুরু করে।
এরই এক পর্যায়ে গত বুধবার ৩ সন্তানের মা প্রবাসির স্ত্রী সেলিনাকে নিয়ে উধাও হয়েছে সে। পরদিনই পাড়াময় ছড়িয়ে পড়ে তাদের প্রেমের টানে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমানোর সংবাদ।
এদিকে, বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানিয়েছে যে, প্রবাসির এক ভায়রাভাই কুষ্টিয়া থেকে প্রেমিক যুগলকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। কথিত ইমাম তরিকুল এই প্রতিবেদককে জানান প্রথমে কায়দাপড়ার সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক, টাকা পয়সা গয়নাগাটি নিয়ে চুয়াডাঙ্গা রেল
স্টেশন, এরপর তাকে নিয়ে হরিণাকু-ুতে এক আত্মীয়ের বাড়ি অবশেষে কুষ্টিয়া থেকে আমাদেরকে ধরে নিয়ে এসে গোপনে সালিশের মাধ্যমে ঈমাম তরিকুল ইসলামকে উত্তম-মধ্যম দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
প্রেমিকা সেলিনা খাতুনকে তার বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হলেও সেখানে তার ঠাই হয়নি। শেষে বেলগাছি গ্রামের তার বোনের বাড়ি আশ্রয় নিয়েছে। প্রবাসী সপু স্ত্রীর পরকিয়ার কথা শুনে হতবম্ভ হয়ে গেছেন।
নিতে পারছেন না বৌকে ঘরে তুলে, না পরছে সন্তানদের আগলে রাখতে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।





