আন্তর্জাতিক টি টোয়েন্টি থেকে ইতিমধ্যে অবসর নিয়ে ফেলেছেন টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। একটা সময় ওয়ানডে ফরম্যাট থেকেও সরে যেতে হবে তাঁকে। তবে মাশরাফি ভক্তদের সকলেরই প্রত্যাশা ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলে যাবেন তাঁদের প্রাণ প্রিয় অধিনায়ক।
অবশ্য মাশরাফি নিজে এসব নিয়ে এখনই কিছু ভাবছেন না। বরং যতদিন উপভোগ করবেন ততদিনই খেলে যাবেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে নড়াইল এক্সপ্রেস এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।
গত ২০১১ বিশ্বকাপে ফিট না থাকায় ১৫ সদস্যের স্কোয়াডে ছিলেন না মাশরাফি। ফলে বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছিলো তাঁর। সেই স্মৃতি এখনও পোড়ায় টাইগার দলপতিকে। আর এই কারণেই ২০১৯ বিশ্বকাপ নিয়ে এখনই কিছু বলতে চাইলেন না তিনি।
মাশরাফি বলেন, ‘আমি যতোটুকু খেলাটাকে উপভোগ করবো ততটুকুই খেলবো। ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলবো কী না বা তার পরেও খেলবো কী না, এতো দূরের কথা কিছুই বলতে পারি না। বলিওনা, কারণ হল, ২০১১ বিশ্বকাপে এমন ঘটনা ঘটেছিল। তাই এসব নিয়ে কথা না বলাই ভাল।’একটা সময় আসবে যখন শুধু মাশরাফি নন, অবসর নেবেন সাকিব-তামিম-মুশফিকদের মতো সিনিয়র ক্রিকেটাররাও। তাঁদের অবর্তমানে দলের হাল ধরতে হবে এখনকার নবীন ক্রিকেটারদেরকেই।
মাশরাফি নিজেও বিষয়টি স্বীকার করে নিলেন। নতুন যারা দলে আসছেন তাঁদের ভেতরে যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে বলে মনে করেন টাইগার দলপতি। তবে তাঁদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে বলে জানান তিনি। নতুনদের নিয়ে মাশরাফির ভাষ্য,
‘তারা সবাই ভালো খেলোয়াড়। এখন কথা হচ্ছে নিজেদেরকে ওরা কীভাবে তৈরি করবে, সেটা। ওদের ক্যারিয়ারের শুরুতে ওরা অনেক সফলতা পেয়েছে। তার মানে হচ্ছে এর থেকে আরো ভাল কিছু করার সামর্থ ওদের আছে। এখন দায়িত্বটা ওদেরই, নিজেদের আরো দায়িত্বশীল করে তোলা।’
বিশ্বের বেশীরভাগ খ্যতিমান ক্রিকেটারই অবসরের পরও ক্রিকেটের সাথে যুক্ত আছেন। মাশরাফির নিজের সেই ইচ্ছা আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে অবশ্য স্পষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি।
‘এটা এখনই বলতে পারছি না। ক্রিকেটের সাথে থাকা না থাকা নিয়ে এখনো ভাবিনি। কারণ আমি যেভাবে থাকতে চাই সেভাবে থাকতে পারবো কী না জানি না। সময়ই বলে দেবে কী করবো,’ বলছিলেন বাংলাদেশ দলের এই প্রাণভোমরা।





