জিহাদে উদ্বুদ্ধকরণ ও হিজরতের প্রস্তুতিমূলক পর্ব সমূহ সম্পন্ন করার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল রাজধানীর বাড্ডা থেকে গ্রেফতারকৃত সারোয়ার-তামিম গ্রুপের জেএমবি সদস্যরা।
তারা ইমাম মেহেদী নামে একজন বড় ভাইয়ের তত্ত্বাবধানে জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপকে পুনর্গঠনের কাজে নিয়োজিত ছিল।
গ্রেফতারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ।
বুধবার দুপুরে র্যাবের কারওয়ান বাজারের মিডিয়া সেন্টারে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।
তিনি জানান, গ্রেফতার জঙ্গিরা সংগঠনের পক্ষে কর্মী সংগ্রহ, অর্থ সংগ্রহ, জিহাদে উদ্বুদ্ধকরণ ও হিজরতের প্রস্তুতিমুলক কাজ সম্পন্ন করারও দায়িত্বে ছিল।
জেএমবির মুল দায়িত্বে থেকে এখন দলকে কে পরিচালনা করছেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, সাধারণ সদস্যরাই মূলত এখন দল পরিচালনা করছেন। তবে বর্তমানে কে দায়িত্ব পালন করছেন এখনো স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।
তিনি বলেন, সংকটকালীন মুহূর্তে তাদের মধ্য থেকে কেউ নেতৃত্ব হয়ত দিচ্ছে। সংগঠনের অর্থ কোথা থেকে আসছে এমন প্রশ্নের জবাবে র্যাবের এই অধিনায়ক জানান, তাদের অর্থ বিদেশ থেকেই আসছে। তবে তাদের শনাক্তকরণে র্যাব কাজ করছে। ওই সকল অর্থ জঙ্গিখাতে ব্যয় করছে সংগঠনে নিয়োজিত কর্মীরা। গ্রেফতারকৃত ৩ জঙ্গির মধ্যে বিপ্লব হোসেন কামাল হলি আর্টিসান ঘটনার আরো আগে থেকেই কর্মী সংগ্রহ কাজে নিয়োজিত ছিল বলেও জানান তিনি। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলেও জানান তিনি।
বুধবার সকালে রাজধানীর বাড্ডার আফতাবনগর এলাকায় গোপন বৈঠকেরর সময় মুশফিকুল হক (২৪), বিপ্লব হোসেন ওরফে সুন্নাহ কামাল ওরফে মাওলানা কামাল হোসেন বিপ্লবী (২৬) ও মামুনুর রশিদ ওরফে আবু ইউশাকে (২৬) গ্রেফতার করে র্যাব। র্যাবের দাবি তারা জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপের সদস্য।





