বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ইসি ও সরকারের যৌথ প্রজোযনায় একতরফা ও নীলনকশার নির্বাচনের দিকে ধীরে ধীরে এগুচ্ছে তারা। এটি স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।
আজ শুক্রবার রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজীত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
‘বিএনপি নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে, অর্বাচিনের মতো কথা বলছে বিএনপি নেতারা।’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্যের জবাব দিয়ে রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিইসি তাঁর নিজ এলাকা পটুয়াখালী-বাউফলে আওয়ামী লীগের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন।সিইসি জনগণের নিকট এমনিতেই পূর্ব থেকেই একজন বিতর্কিত ব্যক্তি।সম্প্রতি সিইসি’র বিভিন্ন বক্তব্যে এটি আরো সুষ্পষ্ট হয়েছে। সিইসি হিসেবে যোগদানের পর তিনি বিতর্কের উর্দ্ধে উঠতে পারেননি।
রিজভী ৫৭ ধারা নিয়ে বলেন, বর্তমানে ৫৭ ধারার ভয়াবহতা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। সরকার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইন থেকে ৫৭ ধারা দিয়ে সাংবাদিকদের নির্যাতন করছে। ৫৭ ধারা থেকে আরও ভয়াবহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করতে যাচ্ছে সরকার। সে আইনের ১৯ ধারাতে গণমাধ্যমকে আরও শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণের বিধান রাখা হয়েছে।১৯ ধারায় বিদ্যমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার সব বিষয় বিদ্যমান রয়েছে। এই ১৯ ধারাতেও তথাকথিত মানহানি, সামাজিকভাবে অপদস্থ করার চেষ্টা বিশেষভাবে রাখা হয়েছে।
সরকারের সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, বিএনপিসহ বিরোধী দলের স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকান্ডেও বাধা দিচ্ছে সরকার। বহি:রাঙ্গণের সভা করা দুরে থাক বিএনপি’র ঘরোয়া সভাতেও পুলিশ ও সরকারের দলীয় সন্ত্রাসীরা আক্রমণ চালাচ্ছে। অন্যদিকে মন্ত্রী-এমপি এমনকি প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগ নেতারা সরকারি ব্যয়ে ইতোমধ্যেই নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন, যা সম্পূর্ণরুপে নির্বাচনী আইন পরিপন্থী। দেশের ভোটারদের ভোটাধিকার যেহেতু থাকবে না সেইহেতু ক্ষমতাসীনরা আগামী নির্বাচন নিয়ে অনাচারে লিপ্ত। সেইজন্য নির্বাচনী নিয়ম-কানুন মেনে চলা তাদের ধর্তব্যে পড়ে না।





