তারা তৃনমুলের সমর্থন আদায়ের লক্ষে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশগ্রহন করছেন। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রার্থীরা তৃনমুল কর্মীদের মাঝে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরন করেছেন।
আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংসদদের মধ্য থেকে দুই থেকে তিনজন মনোনয়ন বঞ্চিত হতে পারেন। এ ক্ষেত্রে নতুন প্রার্থীরা মনোনয়ন পেতে পারেন।
টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বর্তমান সাংসদ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড: আব্দুর রাজ্জাক (ভোলা) আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন এটা প্রায় নিশ্চিত। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হতে পারেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট শিল্পপতি ফকির মাহবুব আনাম স্বপন।
এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হতে পারেন চলচ্চিত্র নির্মাতা নুরুল ইসলাম রাজ।
টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে বর্তমান সাংসদ আওয়ামী লীগের খন্দকার আসাদুজ্জামান তিনি গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় আগামী নির্বাচনে তিনি প্রার্থী না হয়ে তার বড় ছেলে খন্দকার মশিউজ্জামান রুমেল মনোয়নন পেতে গনসংযোগ করছেন।
এ ছাড়া এই আসনে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভীর হাসান (ছোট মনি), ভূঞাপুর পৌর-মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ মনোয়ন প্রত্যাশী হয়ে গনসংযোগ করছেন।
এ আসনে বিএনপির সাবেক উপ-মন্ত্রী বর্তমানে ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় কারাগারে রয়েছেন আব্দুস সালাম পিন্টু প্রার্থী হতে পারেন।
তিনি প্রার্থী না হলে তার ছোট ভাই কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রার্থী হতে পারেন। এ ছাড়া এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হতে পারেন সাবেক সাংসদ শামছুল হক তালুকদার ছানু।
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে বর্তমান সাংসদ আওয়ামী লীগের আমানুর রহমান খান রানা টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে বর্তমানে করাগারে আছেন। তাই আগামী সাংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হতে পারেন আমানুর রহমান খান রানা।
এ আসনে মনোনয়ন লাভের জন্য গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন, সাবেক সাংসদ ডা: মতিউর রহমানের ছেলে তানভীর রহমান ও জাতীয় পার্টি থেকে সদ্য আওয়ামী লীগে যোগ দেয়া আবু ইউসুফ আব্দুলাহ তুহিন, ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু।
এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হতে পারেন, সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারর্সনের উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদ।
টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) এ আসনে বর্তমান সাংসদ আওয়ামী লীগের হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন। এ ছাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, এফবিসিসিআই’র পরিচালক আবু নাসের, ইঞ্জিনিয়ার নিয়াকত আলী গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। এ আসনে বিএনপির একাধিক প্রার্থীরা মনোনয়ন চাইবেন।
এরা হচ্ছেন- বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য লুৎফর রহমান মতিন, এলেঙ্গা পৌর-মেয়র শাফী খান, মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি প্রকৌশলী বাদলুর রহমান বাদল, সাবেক ছাত্র নেতা বেনজীর আহমেদ টিটু, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম, সাবেক মন্ত্রী ও স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক শাজাহান সিরাজের স্ত্রী বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রাবেয়া সিরাজ অথবা ছেলে অপু সিরাজ।
এ ছাড়া আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কৃত সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন। তিনি গনসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বর্তমান সাংসদ ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ¦ মোঃ ছানোয়ার হোসেন আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন।
এ ছাড়া টাঙ্গাইল পৌর-মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যডভোকেট খোরশেদ আলম গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হতে পারেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী মেজর জেনারেল (অবঃ) মাহমুদুল হাসান।
এ আসনে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট খন্দকার আহসান হাবিব, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু দলীয় মনোনয়ন চাইতে পারেন।
এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সাবেক সাংসদ আবুল কাশেম, জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়ে গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ ছাড়াও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে মুরাদ সিদ্দিকী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ব্যাপক গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) এ আসনে বর্তমান সাংসদ আওয়ামী লীগের খন্দকার আব্দুল বাতেন আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন চাইবেন। তবে এ আসনে ডাক-টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, বিশিষ্ট শিল্পপতি আহসানুল ইসলাম টিটু, নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা: মো: আব্দুস সালাম প্রামানিক প্রার্থী হতে গনসংযোগ চালাচ্ছেন।
এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হতে পারেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক এ্যডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী। এ ছাড়া সাবেক প্রতিমন্ত্রী নুর মোহাম্মদ খান, রবিউল আলম লাভলু গনসংযোগ করছেন।
টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) এ আসনে বতর্মান সাংসদ আওয়ামী লীগের একাব্বর হোসেন আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন। এ ছাড়া এ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে গনসংযোগ করছেন টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি খান আহমেদ শুভ।
এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হতে পারেন, সাবেক সাংসদ ও কেন্দ্রীয় বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী। এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হতে পারেন, কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব জহিরুল ইসলাম জহির।
টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে বর্তমান সাংসদ আওয়ামী লীগের অনুপম শাজাহন জয় আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন চাইবেন।
এ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও করটিয়া সা’দত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের দুই বারের নির্বাচিত সাবেক ভিপি এ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়ে ব্যাপক গনসংযোগ শুরু করেছেন।
এ ছাড়া সাবেক ব্যাংকার আব্দুল মালেক ও সখীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান শওকত শিকদার, অধ্যক্ষ সাইদ আজাদ মনোনয়ন চাইতে পারেন।
এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হতে পারেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট আহম্মেদ আযম খান। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির, কৃষিবিদ শাওন, শেখ হাবিবুর রহমান এ আসনে মনোনয়ন চাইতে পারেন।
এ ছাড়া আসনে আরেক শক্তিশালী প্রার্থী হচ্ছেন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধের কাদেরিয়া বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ও সাবেক সাংসদ বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম। এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হতে পারেন, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব আশরাফ সিদ্দিকী।





