খুলনায় স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন নির্বাচন কমিশনার বেগম কবিতা খানম।

এসময় তিনি বলেন, স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্রের সূচনা ডিজিটাল বাংলাদেশকে আরও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়। শুধু তাই না, স্মার্ট কার্ড হলো প্রতিটি নাগরিকের আত্মমর্যাদাবোধের প্রতিফলন।

তিনি আরও বলেন, স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্রে একজন মানুষের তথ্য এমনভাবে সন্নিবেশিত করা থাকে যা তাকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে। এটি শতভাগ পলিকার্বনেটেড। সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে বিভিন্ন স্তর বিশিষ্ট এ কার্ডে লেজার খোদাই করে ব্যক্তিগত তথ্য ছাপানো হয়েছে; যা পরিবর্তন সম্ভব নয়। এতে একই ব্যক্তির একাধিক ফিঙ্গার প্রিন্ট ব্যবহার সম্ভব না।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে প্রতিটি কাজে পরিচয়পত্রের প্রয়োজন হওয়ায় স্মার্ট কার্ডের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং উপযুক্তভাবে এটি সংরক্ষণ করার বিষয়ে সবার মাঝে গণসচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপও করেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে আস্থা অর্জনে নির্বাচন কমিশন তৎপর। কোন রকম বিশৃঙ্খলাকে প্রশ্রয় না দিয়ে সবার অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে নির্বাচন কমিশন ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান, খুলনা সিটি মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেসুর রহমান, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুস সামাদ এবং অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মাহবুব হাকিম। খুলনা জেলা প্রশাসক মো. আমিন উল আহসান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

জাতীয় স্মার্ট কার্ডের ওপর পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ও আইডিইএর প্রকল্পের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুল ইসলাম। স্বাগত বক্তৃতা করেন খুলনা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোস্তফা ফারুক।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি খুলনার ২০ জন বিশিষ্ট নাগরিক মাঝে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করেন।