দীর্ঘ টালবাহানার পর রবি শাস্ত্রীকে বেছে নিয়ে বিসিসিআই বুঝিয়ে দিল রটনাই সত্যি ছিল এবং সবার ঊর্ধ্বে গিয়ে অধিনায়ক বিরাট কোহালির পছন্দই শেষ পর্যন্ত গুরুত্ব পেল। হেড কোচ রবি শাস্ত্রী ও বোলিং কোচ জাহির খান।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানের সাথে লজ্জাজনক ভাবে হারের পর ভারতীয় দলের কোচের পদ থেকে পদত্যাগ করেন অনিল কুম্বলে। তারপর থেকেই কে ভারতের কোচ হবেন তা নিয়ে বেশ একটা ধোঁয়াশা তৈরি হয়।

শেষ পর্যন্ত বীরেন্দ্র সেহওয়াগ,টম মুডিদের টপকে ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত কোচিংয়ের দায়িত্ব পেলেন বিরাটের পছন্দের শাস্ত্রী। মুম্বাইয়ে বিরাটদের কোচ নির্বাচনে সরাসরি থাকতে পারেননি রবি শাস্ত্রী। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ইংল্যান্ডেই রয়েছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন টিম ডিরেক্টর। তাই সেখান থেকেই স্কাইপের মাধ্যমে সচিন-সৌরভ-লক্ষ্মণের কমিটিকে কোচের পদের জন্য সাক্ষাৎকার দেন শাস্ত্রী।

হেড কোচের দৌড়ে অন্যতম প্রতিযোগী বীরেন্দ্র সেহওবাগেরও ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। প্রায় দু’ঘণ্টাও বেশি সময় ক্রিকেট পরামর্শদাতা কমিটির সামনে পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি। ২০১৯ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে নতুন কোচের সঙ্গে দুবছরের চুক্তি করা হচ্ছে।

আগেরবারের মত এবারও ভারতের কোচ নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন ক্রিকেট উপদেষ্টা কমিটির (সিএসি)। এই কমিটিতে ছিলেন তিন ভারতীয় গ্রেট শচিন টেন্ডুলকার, সৌরভ গাঙ্গুলি ও ভিভিএস লক্ষন। আগ্রহী ১০ প্রার্থীর মধ্যে নিজেরা বাছাই করে তারা সাক্ষাৎকার নেন পাঁচজনের, টম মুডি, শাস্ত্রি, লালচাঁন রাজপুত, বিরেন্দর শেবাগ ও রিচার্ড পাইবাস। ফিল সিমন্সকে ডাকলেও শেষ পর্যন্ত সাক্ষৎকার দিতে যাননি সাবেক ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার।