প্রথমে যে পরিস্থিতি ছিল তাতে অনীল কুম্বলেরই ভারতের প্রধান কোচ হিসেবে থেকে যাওয়ার কথা শোনা যায়। পরে অধিনায়ক বিরাট কোহলির সাথে তার দ্বন্দ্বের কথা খুব প্রচার হলো। কুম্বলে পদত্যাগ করলেন।
তার আগে শেষ হয়ে গেছে ভারতের প্রধান কোচ পদের জন্য আবেদনের তারিখ। রবি শাস্ত্রি আবেদন করেননি। ভারতীয় বোর্ড সময় বাড়ালো। শোনা যায় শাস্ত্রিকে কোচ নির্বাচন কমিটির তিন সদস্যের অন্যতমজন শচীন টেন্ডুলকার আবেদন করতে অনুরোধ করলেন। তবে সময় নিলেন শাস্ত্রি। শেষ পর্যন্ত আবেদন করেছেন। ভারতের হিন্দুস্তান টাইমসকে শাস্ত্রি নিজেই সোমবার নিশ্চিত করেছেন এই খবর।
৯ জুলাই পর্যন্ত ছিল আবেদনের শেষ তারিখ। এর মধ্যে আবেদন করেছেন বীরেন্দর শেবাগ, টম মুডি, ভেঙ্কটেশ প্রসাদের মতো হাই প্রোফাইল মানুষ। কোহলিদের কোচ হতে আবেদন পড়েছে আরো। ১০ জুলাই চূড়ান্ত নির্বাচনের দিন। সেদিন বৈঠক ও সাক্ষাৎকার পর্ব। সৌরভ গাঙ্গুলী, ভিভিএস লক্ষ্মন ও টেন্ডুলকারের কোচ নির্বাচক কমিটি সাক্ষাৎকার নেবে। সেখানে থাকবেন বোর্ডের এক কর্মকর্তাও।
শাস্ত্রির অবশ্য গেলো বছরের সাক্ষাৎকারের অভিজ্ঞতা ভালো না। ২০১৬ সালের মাঝামাঝি কুম্বলে কোচ হয়েছিলেন। তার আগে ২০১৪ থেকে ২০১৬ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত শাস্ত্রি ছিলেন ভারত দলের টিম ডিরেক্টর। তার কাজ ছিল অনেকটা প্রধান কোচেরই মতো। ভারত দলের সাথে তখন তার দারুণ সম্পর্ক ও বোঝাপড়া গড়ে ওঠে। দলের সর্বেসর্বার মতো হয়ে উঠেছিলেন।
কিন্তু সৌরভ-টেন্ডুলকার-লক্ষ্মনের কাছে বিদেশ থেকে দেওয়া ভিডিও সাক্ষাৎকারের পর বিতর্ক ওঠে। ওই সাক্ষাৎকারের মাঝপথে সৌরভ তার বেঙ্গল ক্রিকেট বোর্ডের কাজে বের হয়ে যান। কুম্বলে নির্বাচিত হওয়ার পর সৌরভের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন শাস্ত্রি। সৌরভও কড়া জবাব দিতে ছাড়েননি। তখন দুজনার কথার লড়াইয়ে মিডিয়া গরম ছিল কিছুদিন। এবারও কিন্তু সেই সৌরভের সামনেই পড়তে হচ্ছে শাস্ত্রিকে।





