মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি প্রাসাদ প্রায় দেড়শ’ বছরের পুরনো। ঈদের ছুটিতে দর্শনার্থীদের কোলাহলে এই প্রাসাদ এখন মুখরিত।

প্রাসাদের ভেতরে বেড়ানোর পাশাপাশি সময়কে ক্যামেরার ফ্রেমে ধারণ করে রাখতে ব্যস্ত সবাই। আর তাই হয়তো পুরো প্রাসাদ জুড়ে এবার হিড়িক পড়েছে সেলফির।

২৮ জুন বুধবার বিকেলে সেলফি তোলার এমন হিড়িক দেখা হয় সরেজমিনে। এবার টিকিটও বিক্রি হচ্ছে অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে অনেক বেশী। বেশ মনোরম পরিবেশে অল্প টাকায় এমন বিনোদনের ব্যবস্থা থাকায় বেজায় খুশি দর্শনার্থীরা।

দৌলতপুর উপজেলার গালা গ্রামের আঃ কাদের জানান, বালিয়াটি জমিদার বাড়ি ঘুরে বেড়ানোর টিকিটের মূল্য মাত্র ২০ টাকা। এখানকার পরিবেশও বেশ ভালো। তাই তিনিসহ তার আরো ৭ জন বন্ধু বেড়াতে এসেছেন ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে। ঢাকা থেকে এসেছেন দুই বান্ধবী সাংবাদিক আঞ্জুমান আরা শিল্পী ও কথা সাহিত্যিক লাভলী বাশার ও তার স্বামী আবুল বাশার সঙ্গী হয়েছেন কালিহাতী থেকে এসে। সাংবাদিক আঞ্জুমান আরা শিল্পী জানান, ঢাকার পাশে এমন একটি সুন্দর প্রাসাদ আছে সেটা সাটুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেনের কাছে শুনে বেড়াতে এসেছেন। ঢাকা থেকে এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থাও বেশ ভাল। একদিনের ট্যুরে এতো সুন্দর একটি জায়গায় বেড়াতে পেরে বেজায় খুশি তারা।

বালিয়াটি জমিদার বাড়িতে দেশি দর্শনার্থীদের জন্য টিকিটের মূল্য মাত্র ২০ টাকা, শিশুদের টিকিটের মূল্য মাত্র ৫ টাকা। তবে বিদেশিদের জন্য ২০০ টাকা এবং সার্কভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য ১০০ টাকা মূল্য রাখা হয়েছে টিকিটের।

বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘরের দায়িত্বরত কর্মকর্তা সনজয় বড়ুয়া জানান, ঈদসহ যে কোন উৎসবে বাড়তি দর্শানার্থীদের ভিড়ে আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি হয় এখানে। প্রতিদিন সাধারণত তিন থেকে চার হাজার টিকিট বিক্রি হলেও বুধবার বিক্রি হয়েছে প্রায় ৬০ হাজার টাকার টিকিট। বৃহষ্পতিবার এমনই টিকিট বিক্রি হবে বলে আশাবাদী তিনি।