আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে রেখে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকে সংলাপ শুরু করার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আর এ সংলাপ হবে উন্মুক্ত অর্থাৎ সংলাপে কোনো নির্দিষ্ট এজেন্ডা থাকবে না।
রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ইচ্ছে মতো যেকোনো বিষয়ে মতামত দিতে পারবে। আর এ সংলাপ একবার নয় সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিতের জন্য একাধিকবার এমনকি তফসিল ঘোষণার পরও অব্যাহত রাখতে চায় নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।
এ বিষয়ে কথা হলে ইসি সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ্ পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসির করা রোডম্যাপের অংশিক খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী জুলাই মাসের শেষের দিকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু হবে এবং এটা চলবে আগস্ট পর্যন্ত।
সংলাপের বিষয় সম্পর্কে সচিব জানান, প্রাথমিকভাবে যে সংলাপটা হবে সেটি এজেন্ডাবহির্ভূত রাখবো এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয়, তৃতীয় যাই হোক তখন স্পেসিফিক এজেন্ডাভিত্তিক হবে। একবারেই শেষ না, সংলাপ কয়েকবার হবে। তফসিল ঘোষণার পরও সংলাপ হতে পারে।
সংলাপের দাঁড় কখনো বন্ধ হবে না। আমার যেটা মনে হয় এটা যদি আমরা অব্যাহত রাখতে পারি তাহলে আগামী নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণটা নিশ্চিত করতে পারবো যোগ করেন সচিব।
সংলাপ শুরু হবে কাদেরকে নিয়ে জানতে চাইলে সচিব জানান, আমাদের মূল স্টেকহোল্ডার হলো রাজনৈতিক দল। তাই আগে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসবো, পরে এক্সপার্টদের সঙ্গে। কারণ রাজনৈতিক দলগুলো কি চায় বা তারা কি ভাবছে তা চলে আসবে এবং সেগুলো এক্সপার্টরাও তা জানতে পারবেন।
রাজনৈতিক দলগুলোর চাহিদার ওপর ভিত্তি করে এক্সপার্টরা তাদের মতামত দিতে পারেন। কারণ মূল চাহিদাটাতো রাজনৈতিক দলের কাছ থেকেই আসতে হবে।
ইসি সূত্র জানায়, এরইমধ্যে ইসিতে নির্বাচনী আমেজ চলে এসেছে। বিদেশি কূটনৈতিকদের আনাগোনাও বাড়ছে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। গত ২০ জুন ইউএনের রেসিডেন্ট কো অর্ডিনেটর রবার্ট ডি ওয়ার্ট কিনসের নেতৃত্বে প্রায় ২০ জন প্রতিনিধি, ১১ জুন ইউএনডিপির কান্ট্রি ডিরেক্টর সুদীপ্ত মুখার্জি, ৬ জুন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেক, ৩১ মে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেনস ব্লুম বার্নিকাট, ১৮ মে ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা সাক্ষাৎ করেন।
গত ১২ মার্চ নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকের ও সুইডেন রাষ্ট্রদূত জোহান ফ্রিসেল সিইসির সঙ্গে বৈঠক করেন।





