প্রথমবারের মতো দেশের বাইরে ঈদ। আলাদা উত্তেজনা, বাড়তি আনন্দ। তবে আনন্দের অনেকটাই ম্লান হয়ে যায় ঈদের নামাজ না পরতে পেরে। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে এমনটাই হয়েছিল সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলের।
বিমান বন্দর থেকে সরাসরি মসজিদে গিয়েও ঈদের নামাজ মিস করার আক্ষেপটা এখনও পোড়ায় টেস্ট ক্রিকেটের সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ানকে।
ঈদের স্মৃতি নিয়ে মুঠোফোনে কমকে আশরাফুল বলেন, ‘দেশের বাইরে ১৯৯৯ সালে মালয়েশিয়ায় প্রথম ঈদ করেছিলাম। বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে ৭ দিনের জন্য গিয়েছিলাম। ঈদের দিন সকালে ওখানে পৌঁছাই। এরপর বিমানবন্দর থেকে সরাসরি নামাজের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলাম। তবে নামাজ আর পড়া হয়নি। ওদের কি সিস্টেম আমি ঠিক বুঝিনি। সবাই আসে, দুই রাকাত করে পড়ে চলে যায়। আমরা কিছুক্ষন থেকে চলে আসছি।’
তবে শুধু ওইবারই নয়, আশরাফুল ঈদের নামাজ মিস করেছেন আরও একবার। ২০০৩ বিশ্বকাপে ঈদের আগের দিন কানাডার কাছে হেরে বিধ্বস্ত ছিল বাংলাদেশ। ঈদের দিন আনন্দের পরিবর্তে বিষাদেই কেটেছে তাদের, ‘২০০৩ এর বিশ্বকাপের ঈদটা অনেক মনে থাকবে। কারণ ঈদের আগের দিন আমরা কানাডার সঙ্গে হেরেছি। ওই ঈদে আমরা সকালে নামাজও পরতে পারনি। সারাদিন আমরা খুব মনমরা ছিলাম। ঈদের দিন যে যার মতো খেয়ে চলে আসছি। তেমন কথাও হয়নি।’
তবে দেশের বাইরে ঈদ করতে গেলে শুধু বিষাদেই কেটেছে এমনটা নয়, ২০০৭ সালে নিউজিল্যান্ডে অনেক আনন্দও করেছেন আশরাফুলরা, ‘ প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে ঈদের একটা আলাদা মজা আছে। অইসকল ঈদের কথা অনেক মনে পড়ে। ২০০৭ সালে নিউজিল্যান্ডের ঈদটা খুব মজার ছিল।’





