একমাসের ব্যবধানে প্রকারভেদে মাদারীপুরে চালের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত। চালের বাজার ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস উঠেছে খেটে-খাওয়া মানুষের।

চালের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের ও খেটে-খাওয়া মানুষ। তবে চালের দাম বৃদ্ধিকে সাময়িক বলে মন্তব্য করেছেন জেলা প্রশাসক। তবে চালের দাম বৃদ্ধির সঠিক কারণ বের করে দ্রুত চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসবে এমনটাই আশা করছে সাধারণ মানুষ।

গত ১ মাসে মাদারীপুর প্রায় সকল প্রকার চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। এতে বিপাকে পরেছে সাধারণ মানুষ। পরিমানমত চাল কিনতে না পারায় তারা অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে মোটা চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত। আর চিকন চাল ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় আর মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। চালের দাম বৃদ্ধিতে ব্যবসায়ী নেতারা হাওর অঞ্চল প্লাবিত হয়ে ধান নষ্ট হওয়াকেই দেখছে। তবে সাধারণ চালের ব্যবসায়ীরা চালের বড় ব্যবসায়ীদের দায়ি করছে।

সাধারণ চাল ব্যবসায়ী সাইদুল, মনু মিয়া জানান, আমরা যেমন কিনে আনি তেমনী কয়েক টাকা লাভে বেচি। আমাদেরও তো বউ বাচ্চা আছে তাদের নিয়ে খেতে হবে না।

সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ রমিজ, রাতুল , সাদ্দাম জানান খেটে খাওয়া মানুষ ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় মোটা চাল কিনতে হিমসিম খাচ্ছে। তাদের দাবি দ্রুত চালের দাম কমিয়ে তাদের সাধ্যের মধ্যে আনতে সরকার ব্যবস্থা নিবে।

রাইচ মিল মালিক সমিতির সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসাইন ও চাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজি সুলতান তালুকদার দুই জনেই দায়ি করছেন হাওর অঞ্চল প্লাবিত ও ধানের দাম কম হওয়ায় কৃষকদের ধান বিক্রি না করাকে।

মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, চালের দাম বৃদ্ধিকে সাময়িক , দ্রুত চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে বলেও দাবি তার।