চায়ের দোকানের বেঞ্চে বসাকে কেন্দ্র করে কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা ব্রিজের পাশে সারিঘাট খালে পানিতে ডুবিয়ে ও ইট দিয়ে আঘাত করে নবম শ্রেণির এক ছাত্রকে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ৮ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ ১ জনকে গ্রেফতার করলেও বাকি সবাই এখনো পলাতক।
পুলিশ জনায়, পূর্ব জুরাইনের বাসিন্দা নবম শ্রেণীর ছাত্র ওমর ফারুক সজিব ও তার ৩ জন বন্ধু বৃহস্পতিবার দুপুরে বুড়িগঙ্গা ব্রিজের পাশে সারিঘাট খালে গোসল করতে যায়। গোসলের পর বিশ্রাম নিতে খাল থেকে ভেজা শরীরে পাশের একটি চায়ের দোকানের বেঞ্চে বসে ওমর। চা দোকানি রিপন বেঞ্চ থেকে তাকে উঠতে বললে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
এক পর্যায়ে চা দোকানী রিপন স্থানীয় কয়েকজনকে নিয়ে ওমর ফারুক ও তার বন্ধুদের মারধর করে খালের পানিতে ফেলে দেয়। এসময় অন্যরা আহত অবস্থায় পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও সাঁতার না জানায় পানিতে ডুবে মারা যায় ওমর ফারুক।
নিহত ওমর ফারুকের বড় ভাই আব্দুল্লাহ আল সুজন বলেন, 'চায়ের দোকানে বসেছে ভেজা কাপড় নিয়ে। এই টুলে বসেছে কেনো, এই কারণে এলাকার মানুষজন, চায়ের দোকানদার রিপন ওকে মেরেছে। মারার পরে ওকে পানিতে ফেলে দিয়েছে। কিন্তু পানি থেকে উঠতে দেয় নাই। ওর তিন বন্ধু তাদের হাতে পায়ে ধরেছে, যে ভাই ও সাঁতার জানে না। ওকে বাঁচান, বাঁচান। ওরে উঠতে দেয় নাই বরং ওকে ঢিলা মারছে।'
এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় ৮ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করে নিহতের বড় ভাই। পুলিশ রিপনের চাচা বাছেতকে গ্রেফতার করলেও বাকি ৭ আসামি এখনও পলাতক রয়েছে। এমনটাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার মহিদুল ইসলাম সময় সংবাদকে মুঠোফোনো জানিয়েছেন।
হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত তা জানতে মামলার আটক আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানায় পুলিশ।





