মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, জাতীয় জিডিবিতে মৎস্য খাত অবদান রাখছে। প্রতিটি জলশয়কে মাছের অভয়াশ্রমে পরিণত করতে হবে।
আমাদের একটিই লক্ষ্য মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করা। এজন্য সকল মৎস্য কর্মকর্তাদের সততার সাথে যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে।
শনিবার (১০ জুন) দুপুরে খুলনা বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণে দুই দিনব্যাপী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সম্মেলন-২০১৭ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। খুলনা বিভাগীয় মৎস্য অফিস এ অনুষ্ঠনের আয়োজন করে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মৎস্য সেক্টরের উন্নয়নে প্রায় দুই হাজার ৬শ ৪০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মাছ চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। বিলুপ্ত প্রায় দেশীয় প্রজাতির মাছগুলো আমরা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। মাছের পোনা উৎপাদন ও বাজার জাতকরণ পর্যন্ত চাষীদের সহযোগিতা করতে হবে। কৃষকরা ধান চাষের পাশাপশি মাছ চাষ করে যাচ্ছে। সামগ্রিক দিক থেকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে দেশের উন্নতি হচ্ছে। এ অঞ্চলে দারিদ্রতার হার বেশি। মাছ চাষ, গবাদিপশু ও হাাঁস-মুরগি পালন করে দারিদ্রতার হার কমানো সম্ভব।
তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। তাঁর স্বপ্ন ছিলো দেশকে একটি ক্ষুধা, দারিদ্রমুক্ত ও সোনার বাংলা গড়া। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে যেতে প্রতিমন্ত্রী সকলের প্রতি আহবান জানান।
খুলনা বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপপরিচালক রণজিৎ কুমার পালের সভাপতিত্বে সম্মেলন বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নিত্যরঞ্জন বিশ্বাস, উপপরিচালক প্রফুল কুমার সরকার এবং খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ শামীম হায়দার।
সম্মেলনে দশ জেলার জেলা মৎস্য কর্মকর্তারা নিজ নিজ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সম্মেলনে দশ জেলার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, প্রকল্প পরিচালক, সিনিয়র সহকারী পরিচালক এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তারা অংশ গ্রহণ করেন।
সকালে প্রতিমন্ত্রী ফুলতলা এম এম কলেজের পরিচালনা কমিটির সভায় যোগদান, কলেজ পরিদর্শন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন। বিকেলে তিনি ফুলতলার জামিরা ইউনিয়নে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মহাফিলে যোগদান করেন।





