দীর্ঘ প্রত্যাশিত লোন্দা সেতুর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সূচিত হলো ধানখালীর সঙ্গে কলাপাড়ার যোগাযোগে এক নতুন দিগন্ত।

এখন আর মানুষ হাটু কাদা পেরিয়ে আসতে হয়না উপজেলা সদরে। দুর্ভোগ লাঘব হয়েছে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের। সীমাহীন ভোগান্তির পরেও এই নদী পার হতে সময় লাগত ঘন্টার পর ঘন্টা। টিয়াখালী নদীতে ১৭৫ মিটার দীর্ঘ সেতুটি ইতোমধ্যে জনগণের চলাচলে উম্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর সেতুটির নির্মাণ কাজ করেছে। রয়েছে ৪৬৬ মিটার সংযোগ সড়ক। ধানখালী ইউনিয়নের ত্রিশ সহ শতাধিক মানুষ এখন স্বাচ্ছন্দেই চলাচল করছে সেতু পার হয়ে।

এলজিইডি কলাপাড়া সুত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলা (২য় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে গৃহীত ১৭৫ মিটার দীর্ঘ এ সেতুর দুই পাড়ে ৪৬৬ মিটার সংযোগ সড়ক রয়েছে। পাঁচটি স্প্যানের ওপর নির্মিত তেুটির প্রাক্কলিত ব্যয় বরাদ্দ ছিল ১৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। শুধু সেতুর জন্য প্রাক্কলিত মূল্য ১৩ কোটি ৩৪ লাখ ৫৩ হাজার ৭১০ টাকা।

ধানখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ গাজী জানান, সেতুটির কাজ শেষ হওয়ায় মানুষের উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের দুর্ভোগ লাঘব হয়েছে।

কলাপাড়া এলজিইডির প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান জানান, শুধু ধানখালী নয় চালিতাবুনিয়াসহ ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে যোগাযোগের দুর্ভোগেও লাঘব হয়েছে। সবজিসহ রবিশস্য চাষীদেরও যোগাযোগের দুর্ভোগ লাঘব হয়েছে।