সৌদি আরব থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশগামী কাতার এয়ারের ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়ায় বিড়ম্বনায় শিকার হয়েছেন বাংলাদেশী যাত্রীরা।
সোমবার সৌদি সরকারের সাথে কাতারের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পরপরই সৌদি সিভিল এভিয়েশন থেকে ট্রাভেল এজেন্সী মালিকদেরকে এক জরুরী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এটি জানানো হয়।সৌদি থেকে কাতার এয়ারে রিটার্ন টিকেটের মূল্য তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় বাংলাদেশীরা কাতার এয়ারে ভ্রমণ করতে অনেকে টিকেট কাটেন। কিন্তু কাতারের ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়ায় বিমান যাত্রার খরচ বেড়ে গেলো তাদের।
দেশে ফেরার জন্য কয়েক মাস আগে থেকে যারা টিকেট নিয়েছেন, এখন হঠাৎ করে এ ঘোষণার কারণে কমমূল্যে নতুন টিকেটের প্রাপ্তি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন তারা। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশী ট্রাভেলস এজেন্সী মালিকরা জানিয়েছেন, যে সকল যাত্রীরা টিকেট নিয়েছেন তাদের কোন ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। বিএসপির মাধ্যমে তাদের টিকেট রিফান্ড করে সম্পূর্ণ টাকা ফেরত পাওয়া যাবে।তবে ইতিপূর্বে যে সকল যাত্রীরা দেশে গিয়েছেন তারা জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশে কাতার এয়ার লাইন্সের অফিসে যোগাযোগ করে অন্য বিমানে সৌদি আরবে আসার ফিরতি টিকেট নিতে হবে।
কাতার এয়ারলাইন্স বন্ধ হওয়ায় সৌদি আরব থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির আশংকা করছেন বাংলাদেশী কার্গো ব্যবসায়ীরা।সৌদি-বাংলা কার্গো এসোসিয়েশনের সভাপতি জানিয়েছেন, প্রবাসীদের কাতার এয়ারের মাধ্যমে কার্গোতে পাঠানো মালামাল নির্ধারিত সময়ে ডেলিভারি দিতে না পারলে লোকসান গুনতে হবে তাদেরকে। অনির্দিষ্টকালের জন্য এ রুটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ্রাহকদের চাপের মুখে থাকতে হবে ব্যবসায়ীদেরকে।





