ঠাকুরগাঁও থেকে দুরত্বে বসবাস করায় স্থানীয় এক ব্যক্তির কারনে জমি বুঝে নিতে পারছেন না প্রকৃত মালিক। ক্ষমতার দাপটে জোর পূর্বক ওই জমির উপড় নার্সারী আর দোকানপাট স্থাপন করে রাজত্ব চালাচ্ছে।

এ নিয়ে মালিক পক্ষ মামলা করে বেশ কয়েকবার আদালত থেকে রায় পেলেও তা অমান্য করছে ওই ব্যক্তি। মামলা সুত্রে জানা যায়, বেশ কয়েক বছর আগে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচাঁ ইউনিয়নের দক্ষিণ ঠাকুরগাঁও গ্রামের আলহাজ্ব খয়ের উদ্দীনের কাছে ৪২০৫ দাগের ৫১ ও ৪২০৮ দাগের ২০ শতক, একই গ্রামের অন্য ব্যক্তির কাছে ১৩১২ দাগের ১৬ ও ১৩২৭ দাগের ২৯ শতক জমি ক্রয় করেন আখতার হোসেন ও আবুল কাইয়ুম মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

জমি ক্রয় করার পর দখল নিয়ে ঘেরাবেড়া দিয়ে চাকুরীর জন্য দুরত্বে বসবাস করেন। এই সুযোগে তৈয়ব আলী নামে এক ভুমিদস্যু কৌশলে ওই জমিতে অস্থায়ীভাবে দোকান ঘর নির্মাণ করে রাজত্ব করছে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিস বৈঠক হলেও কোন সুরাহা হয়নি। পরিশেষে জমির মালিক উপায় না পেয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করার পর আদালত জমির কাগজ পত্র দেখে আখতার হোসেন ও আবুল কাইয়ুম মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এর পক্ষে কয়েক বার রায় দিলেও জমি ছাড়ছে না ওই ব্যক্তি।

জমির প্রকৃত মালিকসহ স্থানীয়রা ওই জমি উদ্ধারসহ অবৈধ ভোগকারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেন। অন্যথায় ভুমিদস্যুরা নিরীহ মানুষের জমি দখলে আরো উৎসাহি হবে। জমির মলিক আবুল কাইয়ুম মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানান, আমরা অশান্তি চাই না বলেই আদালতের আশ্রয় নিয়েছি। আদালত থেকে রায় পাওয়ার পরে ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সহযোগীতা চেয়েও জমি নিতে পারছি না।

আমি প্রশাসনের সহয়োগীতার পাশাপাশি গণমাধ্যম এখন ভরসা। আর অবৈধ দখলকারি ব্যক্তি তৈয়ব আলী জানান, আমার বাবার জমি সেই সুবাদে আমি বসবাস করে আসছি। এ বিষয়ে সদর উপজেলা আকচা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুব্রত কুমার জানান, স্থানীয়ভাবে কয়েকবার বৈঠক হয়েছে তৈয়ব আলী জমি ছেড়ে না দিলে আমরা কি করতে পারি বলেন।

জমির প্রকৃত মালিক জমি দখল করুক আমরা সহায়তা করবো। আর ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, আমরা প্রকৃত জমির মালিককে অবশ্যই সহায়তা করবো