সোনার পাড়া গ্রামের নুর আলম বলির মেয়ে পূর্বের স্বামী গিয়াস উদ্দিন ( মালোশিয়া প্রবাসী) এবং একটি শিশু সন্তান রেখে রামুর জয় নামক এক যুবকের সাথে পালিয়ে গিয়েছিল।
পালিয়ে গিয়ে দু’জনই চকরিয়ায় এক ভাড়া বাসায় থাকেন, কয়েকদিন যাওয়ার পর জানতে পায় জয়ের আরেক স্ত্রী আছে!
এরপর একদিন জয়ের আগের স্ত্রীর পিতা চকরিয়ায় এসে সব কিছু জেনে ফেলে।
শ্বাশুর মেয়ের জামাইকে হুমকি দিয়ে বলেন- তুর এতো সাহস তুরে দেখে নেবো!
সেই কথা শুনে জয় কিছুদিন পলাতক থাকে,
এরপর আগের স্ত্রীকে ফোন করে বলে- চকরিয়ায় চলে আসার জন্য,
আগের স্ত্রী জয়ের কাছে চলে যেতে চাইলে বাড়ির লোকজন বলেন সেখানে না যাওয়ার জন্য ,গেলে তোকে মেরে ফেলবে।
মেয়ের কথা ছিল আমি যাবোই,,, মরলে জয়ের হাতেই মরবো।
চকরিয়ায় চলে যাওয়ার পর সেখানে জয় ও তার নতুন স্ত্রী কর্তৃক বিভিন্ন নির্যাতনের শিকার হয়, সেই নির্যাতনের কথা মেয়ের বাড়িতে জানালে, মেয়েকে চলে আসতে বলেন পিতা,
পিতার বাড়িতে চলে আসার জন্য বের হলে,,,,, ঐ পাষন্ড স্বামী মেয়েকে মেরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়, যাতে লোকে মনে করে নিজে নিজে গলায় ফাঁস লাগিয়ে মারা গেছেন!





