পূর্ব জেরুজালেমের আল-কুদস দখলের ৫০তম বার্ষিকীতে আল-আকসা মসজিদের পশ্চিম দেয়ালের নিচের ভূগর্ভস্থ টানেলে সাপ্তাহিক বৈঠক করেছেন ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার মন্ত্রী পরিষদ।
রবিবার পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদের টানেলে ইসরায়েলের মন্ত্রীসভার বৈঠকের নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনিরা। এমন একটি স্পর্শকাতর স্থানে ইসরায়েলের বৈঠকের তীব্র সমালোচনাও করেছে ফিলিস্তিনিরা।
ইসরায়েলের পর্যটনমন্ত্রী ইয়ারিভ বলেন, ‘কেবল কার’ জেরুজালেমের আমূল পরিবর্তন আনবে। পর্যটকরা সহজে জেরুজালেম ভ্রমণ করতে পারবে, পর্যটকদের সংখ্যা বাড়বে।
মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদীনার মসজিদে নববীর পর মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান হিসেবে গণ্য করা হয় আল-আকসা মসজিদকে। রবিবারের বৈঠকে আল-আকসার পশ্চিম দেয়ালের কাছে একটি কেবল কার প্রজেক্ট তৈরি পরিকল্পনার বিষয়ে আলোচনা করে ইসরায়েল সরকার।
তবে ওই বৈঠককে উস্কানি হিসেবে দেখছে ফিলিস্তিনিরা। হামাসের মুখপাত্র আব্দুল লতিফ আল-কানু বলেন, আল-আকসার তলদেশে ইসরায়েলি মন্ত্রিসভার বৈঠক একটি বিপজ্জনক ও উস্কানিমূলক পদক্ষেপ।
সিনিয়র ফিলিস্তিন কর্মকর্তা সায়েব এরিকাত আল-আকসা মসজিদের বৈঠক সম্পর্কে বলেছেন, ফিলিস্তিনের জনগণের অধিকার লঙ্ঘনের যে পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া চলছে আমরা কঠোরতম ভাষায় তার নিন্দা জানাচ্ছি।
প্রসঙ্গত, ১৯৬৭ সালে ছয়দিনের যুদ্ধে পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম ও আল কুদস দখল করে নেয় ইসরায়েল। দখল নিলেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় জেরুজালেম ও আল কুদসকে ইরায়েলের অংশ হিসেবে স্বকৃতি দেয়নি। তবে ইসরায়েল জোরপূর্বক ওই অঞ্চলগুলোতে বসতি স্থাপন করে আসছে।





