রাঙামাটিতে ঘুর্নিঝড় মোবা’র প্রভাবে ২জন নিহত ও জন জীবন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাঙামাটিতে প্রবল ঝড়ো হওয়ার মধ্য দিয়ে রাঙামাটি
শহড়ে পৃথক দুটি স্থানে উপচে পড়া গাছের নীচে চাপা পড়ে দুজন নিহত হয়েছে ও বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আসামবস্তি এলাকায় গাছ ভেঙ্গে পরলে গুরুত্ব আহত হন গূহবধু হাজেরা বেগম (৪৫)।
তাকে উদ্বার করে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়। অপরদিকে ভেদভেদী মুসলিম পাড়া এলাকায় মাটি সরে গিয়ে উপরে পড়ে গাছের নীচে চাপা পড়ে ৯ম: শ্রেনী ছাত্রী জাহিদা সুলতানা (মাহিমা -১৪) মারা যান। মৃত্যুর সঠিক তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক মো: সওকত আকবর।
এদিকে সকাল থেকে ঘুর্নিঝড় মোবা’র কারনে তীব্র আঘাতের লন্ডভন্ড হয়ে গেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। রাঙামাটি শহহের কলেজ গেইট ট্রাইবেল আদাম, কল্যানপুর, তবলছড়ি, রাজবন বিহার এলাকা, আসামবস্তি, রিজার্ভ বাজার সহ বিভিন্ন স্থানে চলাচলের রাস্তা ও বসত ঘর লন্ডভন্ড হয়ে বিভিন্ন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এছাড়া ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ প্রবল হওয়ায় রাঙামাটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তীব্র বাতাসের কারনে রাঙামাটির বিভিন্ন স্থানে বৈদ্যতিক খুঁটি ভেঙে পড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকাতে পানীয় জলের অভাব দেখা দিয়েছে।
তবে মোরা’র অাঘাত হানাতে বিভিন্ন স্থানে সার্ভিক সহযোগিতার জন্য রাঙামাটির ফায়ার সার্ভিস, পৌরসভা, জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠন কাজ করছে। এছাড়া সব ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষার জন্য রাঙামাটি কাপ্তাই হৃদে নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছেন। ঘূর্নিঝড় মোরার আঘাত থেকে মোকাবেলার জন্য রাঙামাটি প্রশাসন থেকে ১৬ টি আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থা করা হয়।





