আদম যুগ থেকেই মানুষ ত্বকের প্রতি বেশ যত্নশীল। যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে ত্বকের যত্নে ব্যবহৃত জিনিসেরও পরিবর্তন হয়েছে। তবে ত্বকের যত্নে ফলের ব্যবহারের প্রচলন কমেনি।

ত্বকের যত্নে তেমনি কিছু ফলের উপকারিতা তুলে ধরা হলো-

আপেলঃ আপেল আঁশে পূর্ণ একটি ফল। প্রতিদিন আপেল খেলে ত্বকে বলিরেখা পড়ার সম্ভাবনা কমে। ত্বক পরিষ্কারক হিসেবেও কাজ করে এই ফল। ব্রণ দূর করা এবং ত্বকে হোয়াইট হেডস এবং ব্ল্যাক হেডস হওয়ার সম্ভাবনাও কমিয়ে আনে আপেল।

লেবুঃ লেবুর এনজাইম এবং অ্যাসিডের উপাদান ত্বকের উপর জমে থাকা মৃতকোষ দূর করতে সাহায্য করে। তাছাড়া ত্বকের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করে উজ্জ্বলতা ধরে রাখে লেবু। এক টুকরা লেবু কেটে কালচে ত্বকের উপর ঘষলে উপকার পাওয়া যায়। তাছাড়া নিয়মিত লেবুর রস ত্বকে মাখলেও রং উজ্জ্বল হয়।

বেদানাঃ বেদানা ত্বকের সৌন্দর্য রক্ষায় দারুণ উপকারি। বেদানাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। তাই নিয়মিত এই ফল খেলে ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখা যায় দীর্ঘদিন। বেদানা বীজের নির্যাস ত্বকের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। তাছাড়া ব্রণের সমস্যা কমাতেও উপকারী এই ফল।

আঙুরঃ রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে আঙুর সুপরিচিত একটি ফল। রক্তের দূষিত পদার্থ দূর করে ভিতর থেকে ত্বক সুন্দর করে তোলে আঙুর। ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যাওয়ার সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে এই ফল। আঙুরের বীজে আছে পলিফেনল নামের একটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান যা ত্বকের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি পূরণ করে ত্বকে বয়সের প্রভাব কমিয়ে আনে। আঙুরের রস বলিরেখা হালকা করতে সাহায্য করে।

কমলাঃ এই ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি। যা শরীরের দূষিত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। শরীরের ভেতর থেকে ত্বক পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যজ্জ্ব্যোল করে। তাছাড়া কমলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বেটা-ক্যারোটিন। যা ত্বকের কোষ গঠন করতে সহায়তা করে। অন্যদিকে কমলার খোসাও রূপচর্চায় দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহৃত হচ্ছে।