ঘূর্ণিঝড় ‘মোরার’ প্রভাবে লক্ষ্মীপুরে আজ মঙ্গলবার ভোর থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে প্রবল বাতাস। ঝড়ের প্রভাবে লক্ষ্মীপুরের নিম্নাঞ্চলের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
এদিকে, লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় মজু চৌধুরী ঘাটে ভোলা-বরিশালগামী পাঁচ শতাধিক যাত্রী আটকা পড়েছে। আটকাপড়া যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
গতকাল সোমবার বেলা ১১টা থেকে এসব যাত্রীরা আটকে পড়েন। এ ছাড়া শতাধিক পণ্য বোঝাই ট্রাক-কার্গোও আটকা পড়ে রয়েছে।
নদী উত্তাল থাকায় সোমবার বিকেল থেকে রামগতির বিচ্ছিন্ন দ্বীপ চর-আবদুল্লাহ ইউনিয়নে বসবাসকারী প্রায় ১৬ হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে সরে আসতে পারেনি। তাদের অনেকেই আবার ঘরবাড়ি ও গবাদী-পশু হারানোর ভয়ে নিরাপদে আসতে রাজি হয়নি বলে জানিয়েছেন ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলাল আহমেদ।
জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, প্রাকৃতিক এ দুর্যোগ মোকাবিলায় ১০২টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ৩০ টন চাল, নগদ দেড় লাখ টাকা ও শুকনো খাবার প্রস্তত রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং, নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু এবং জনসাধারণকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয়ে নিতে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা মাঠে কাজ করছেন।





