ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছে ঘূর্ণিঝড় মোরা। তবে মহাবিপদ সংকেত আরো কয়েক ঘণ্টা থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টায় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঘূর্ণিঝড় মোরা বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূল অতিক্রম করা শুরু করেছিল। এটা অতিক্রম করেছে। এবং ধীরে ধীরে এর শক্তি কমছে (দুর্বল হয়েছে পড়ছে)।
তিনি আরো বলেন, ‘সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় আরো চার পাঁচ ঘণ্টা আমরা হয়তো মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলব। তারপর স্থানীয় বিপদ সংকেত দেখাতে বলব।’
ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি গতির বাতাস নিয়ে মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে কুতুবদিয়ার কাছ দিয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম শুরু করে ঘূর্ণিঝড়টি।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, মোরা ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার বেগে টেকনাফে ও ১১৪ কিলোমিটার বেগে সেন্টমার্টিনে আঘাত করে। এছাড়া কক্সবাজারে ১১৫ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে।
তিনি আরও জানান, আঘাত হানার পর সকাল ৮টার দিকে কক্সবাজার অতিক্রম করে মোরা।
মঙ্গলবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোরা এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
মোরার কারণে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।





