মায়ানমারের আরাকান থেকে আসা নির্যাতিত মুসলিম রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে বসবাস করছে অনেক বছর ধরে। বাংলাদেশ সরকার অস্থায়ী ক্যাম্প করে দিয়েছে তাদের জন্য। নিদিষ্ট সিমানার ভিতরে তাদের বসবাস ।
১৯৮২ সালের সিটিজেন আইনের মাধ্যমে বঞ্চিত রোহিঙ্গারা প্রবাসী হিসেবে নানা দেশে পাড়ি দেয়। পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশ হওয়ায় সবচেয়ে বেশি আশ্রয় নেয় টেকনাফের নানা জায়গায়। রেজিস্টার ও রেজিস্টার বিহীন ক্যাম্পের সংখ্যা তিনটি যেখানে বসবাসরত রোহিঙ্গার সংখ্যা সরকারি পরিসংখ্যাণের তুলনায় অনেক বেশি। ২০১২ সালের পর ২০১৬ সালে আবার রোহিঙ্গা বসবাসরত অঞ্চলে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে উঠে।
রোহিঙ্গাদের আয়ের উৎস বলতে টেকনাফের বিভিন্ন অংশে পাহাড়ে , নাফ নদীতে মাছ ধরা অনেকে কক্সবাজারের বিভিন্ন অংশে রিকশা চালিয়ে জীবন যাপন করে। শহরের মানুষের মতো করে নানান রকমের বাহারি ইফতারির পসরা সাজিয়ে ইফতার করা তাদের ভাগ্যে জুটে না। এমন কি তিন বেলা খাবার ও ঠিকভাবে খেতে পারে না অনেকেই । দেশ বিদেশ থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে অনেক অনুদান রোহিঙ্গাদের জন্য আসলেও বেশির ভাগই তাদের বরাবর যায় না বলে এক রোহিঙ্গা মুসলিমে দাবি। আবার অনেকের দাবি সরকারি নানা ধরনের আইনি জটিলতার কারনেও আগ্রহী অনেকে অনুদান দেয় না ।
রমজান মাসে সারা বিশ্বের মুস লিমদের ন্যায় বাংলাদেশের মুসলমান রাও ঈমানের সাথে রোযা পালন করে। সারাদিন রোযা পালন করে ইফতার সময় ছোলা মুড়ি সাথে বিভিন্ন ধরনের ফল খাওয়া অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কিন্তু রোহিঙ্গা মুসলিমদের বেশির ভাগের সেই সুযোগ হয় না ।





