গাজীপুরের শ্রীপুরে বনের জমিতে বেড়া মেরামত করাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসী ও বনকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। আহতদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের গাড়ারন (খলারটেক) গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় উত্তেজিত এলাকাবাসী বন কর্মীদের দুটি মোটর সাইকেল ভাংচুর করে।

জানা যায়, শ্রীপুর রেলস্টেশনের প্লাটফর্মের ভ্রাম্যমান ঔষুধ ব্যবসায়ী আব্দুস সালামের ঘরের টিনের বেড়া কালবৈশাখী ঝড়ে ভেঙ্গে গেলে ওই বেড়া মেরামত করার সময় বনপ্রহরীরা তার কাছে ঘুষ দাবী করে। বনপ্রহরীদের দাবীকৃত ঘুষের টাকা না দিয়ে ভাংগা বেড়া মেরামত করার সময় শ্রীপুর সদর বিট অফিসার রফিকের নেৃতত্বে কয়েকজন বন প্রহরী বেড়া মেরামত করতে বাধা দেয়। এসময় বনের লোকজন আব্দুস সালামের স্ত্রী পারুলকে তলপেটে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দিলে ঐ এলাকার উত্তেজিত লোকজন লাঠি নিয়ে বন প্রহরীদেরকে গণধোলাই দেয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়।

আহতরা হলেন- গ্রামবাসী আব্দুস সালামের স্ত্রী পারুল আক্তার, তার পুত্র আলামিন, শমসেরের কন্যা নিপা আক্তার, নুরুল ইসলামের স্ত্রী রাজিয়া, সুমনের স্ত্রী লিজা আক্তার, মাফুজের স্ত্রী স্মৃতি আক্তার, মহর আলীর মেয়ে জুলেখা ও অপরদিকে বন বিভাগের সদর বিট অফিসার রফিকুল ইসলাম, বন প্রহরী আনোয়ার হোসেন, আজাহারুল হক, সাজেদুর রহমান ও সংকর বীর। আহতদেরকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

সদর বিট কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ঘুষ দাবীর বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, বন ভূমি রক্ষা করতে গিয়েই তারা হামলার স্বীকার হন।
শ্রীপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক সময়ের কন্ঠস্বরকে বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামের লোকজন আমাদের ওপর হামলা করেছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।