নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় এবার ‘থার্টি ফার্স্ট’ উদযাপনে বেশকিছু বিধি নিষেধ রয়েছে রাজধানীবাসীর জন্য। উন্মুক্ত স্থানে অনুষ্ঠান না করাসহ নির্ধারিত এলাকায় বহিরাগতের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

সোমবার (৩১ ডিসেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে ডিএমপি সদর দফতরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

এদিন কেউ যাতে নাশকতা ও সহিংসতার সুযোগ নিতে না পারে, সেজন্য পুলিশ বাড়তি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

থার্টি ফার্স্টকে ঘিরে সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা হুমকি নেই জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘গতকাল জাতীয় নির্বাচনের পরপরই এ ধরনের একটি উদযাপন থাকায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। ঢাকা মহানগরীতে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শাহবাগ ও নীলক্ষেত দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন স্টিকারযুক্ত গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাও স্ব স্ব আইডি কার্ড দেখিয়ে প্রবেশ করবে। এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থানরত বহিরাগতদের ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে বলা হয়েছে। ক্যাম্পাস এলাকায় পোশাকে এবং সাদা পোশাকে পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে। গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।’

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘গুলশানে ৫ তারকা হোটেলগুলোতে ইনডোরে অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে। তবে বাইরে কোনো প্রোগ্রাম যেমন ডিজে পার্টি, ছাদে বা উম্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে না। হাতিরঝিলসহ ঢাকা মহানগরীর উম্মুক্ত স্থানে কোথাও কোনো আয়োজন থাকবে না। তবে চার দেয়ালের মাঝে যদি কেউ অনুষ্ঠান আয়োজন করে সেটির ব্যাপারে কোনো বাধা নেই। তবে সেটি যাতে পুলিশকে অবহিত করা থাকে, যেন তাদের নিরাপত্তা দিতে পারে।’

‘কোনো স্বার্থান্বেষী মহল যাতে কোনো সুযোগ নিতে না পারে, নাশকতা করতে না পারে, কোনো জঙ্গি বা উগ্রবাদী গোষ্ঠী যাতে কোনো ধরণের সুযোগ নিতে না পারে সেক্ষেত্রে আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। আমরা সতর্ক রয়েছি এবং দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনের মধ্য দিয়ে আমরা থার্টি ফার্স্ট নাইট ইংরেজি নববর্ষ ২০১৯ এর অনুষ্ঠানটিকে সুন্দরভাবে পার করতে পারবো’, বলেন নগরীর এই পুলিশ প্রধান।