প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন সহযোগি সংগঠনের নেতারা সংবর্ধনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদান শেষে সোমবার সকালে দেশে ফিরে আসেন। বিকেলে গণভবনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

সপ্তাহব্যাপী তার যুক্তরাষ্ট্র সফরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে যোগদান, বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের ইভেন্টে অংশগ্রহণ এবং বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠককে অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসু হিসেবে বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের হারানো গৌরব পুনপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং দেশের মানুষ মর্যাদা ও সম্মান পাচ্ছে।

জাতিসংঘ সাধারন পরিষদসহ বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান, কয়েকটি দেশের রাস্ট্র ও সরকার প্রধান, মার্জাকিন পররাস্ট্রমন্ত্রী, জাতিসংঘ মহাসচিবসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সংগে তার বৈঠক প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ এখন অনেক সম্মান পাচ্ছে।

দেশের জনগণ আওয়ামী লীগের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছিল বলেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের এ অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে ঐক্যবদ্ধ থাকতে নেতা কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা তার দলের নেতা কর্মীদের সতর্ক করে বলেন, তাদেরকে আত্মতুষ্টিতে ভুগলে চলবে না। বরং এ ধরনের আত্মতুষ্টির জন্য ১৯৯১ সাল এবং ২০০১ সালের মত আওয়ামী লীগকে যাতে খেসারত দিতে না হয় সে ব্যাপারে নেতা কর্মীদেরকে সজাগ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার এবং দলের বিরুদ্ধে দেশি- বিদেশি চক্রান্ত আগেও ছিল এবং এখনও এ চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র অনবরত অব্যাহত আছে। ৭৫-এর পর থেকেই একটা বৈরী পরিবেশে তার দল সংগ্রাম করে করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

ভোটের রাজনীতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেই এখন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু ভোটের কথা বলেন কিন্তু তারা জিয়াউর রহমানের হ্যাঁ-না ভোটের কথা ভুলে গেছেন।

শেখ হাসিনা অভিযোগ করে বলেন, তার দলের বিরুদ্ধে তথ্য নিয়ে কয়েকটি পত্রিকা বসেই আছে, নির্বাচনের সময় তারা একটার পর একটা ছেড়ে দেবে। দলের সফল নেতা ও সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে এরা লেগেই থাকে।