যে ভুলের কারনে গোপন অঙ্গ ছোট হয়! সবার অবশ্যই জেনে রাখা উচিৎ!! মূলত মিলন আচরণের যে দিকটি পুরুষের জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর তা হলো পুরুষাঙ্গ বা লিঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা।এটিকে আমরা অনেক সময় ইরেকটাইল ডিসফাংশন বলে থাকি। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

অবশ্য মেডিকেল টার্ম হিসেবে একে ইম্পোটেন্স বা পুরুষত্বহীনতাও বলা হয়ে থাকে।একজন পুরুষ যখন মিলন সঙ্গম বা মিলনের জন্য মনোশারীরিক ভাবে প্রস্ততি লাভ করে তখন যদি তার পুরুষাঙ্গ সঙ্গমের জন্য উপযুক্তভাবে উত্থিন না হয় তবে তা তার জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক সন্তোষজনক ভাবে স* হবা স করার জন্য ইরেকশন বা গোপনাঙ্গের পর্যাপ্ত উত্থান একটি বাধ্যতামূলক আচরণ।

এর ফলশ্রুতিতে পুরুষের মিলন আগ্রহ বা মিলন ইচ্ছার যেমন ঘাটতি দেখা যায় তেমনি চরমপুলক অনুভূতি লাভও তার ভাগ্যে জোটে না। যে পুরুষ এর ভুক্তভোগী তিনিই কেবল জানেন এর কেমন মর্মপীড়া।অথচ মেডিকেল স্বাস্থ্য বিজ্ঞানে পুরুষত্বহীনতার অনেক আধুনিক কার্যকারী চিকিৎসা রয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে,ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা গোপনাঙ্গ উত্থানজনিত নানা সমস্যা যে কোনো বয়সের পুরুষের ক্ষেত্রেই হতে পারে হঠাৎ করে দুই একবার গোপনাঙ্গ উত্থিন না হওয়া কোনো বড় সমস্যা নয় এটি আপনাআপনি দূর হয়ে যায়। অনেকের মনে এ প্রশ্ন আছে যে,পুরুষ গোপনাঙ্গ কি ছোট হয়ে যেতে পারে কোনো কারণে? এর উত্তর দিতে গে বলতে হয়.. সাধারণত হয় না। তবে টাইট কাপড়, খুব ঠাণ্ডা, মানসিক বিষণ্নতায় এবং দীর্ঘ দিন হস্তমৈথুন করলে গোপনাঙ্গের টিস্যুগলো ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে গোপনাঙ্গের সভাবাবিক আকার নষ্ট হতে পারে।

এরকম হওয়াকেই গোপনাঙ্গ ছোট হয়ে যাওয়া বলে অভিহিত করা হয়্।এলিজাবিথ গ্রিট্টা হসপিটাল, লন্ডন এর এক গবেষনায় গবেষকগন নারীর গোপনামুখ এবং গোপনানালীর আকার নিয়ে একটি গবেষনা পরিচালনা করেন। অনেকের মনে হতে পারে গোপন মুখ এবং গোপন নালী তো একই বিষয়। তা আসলে নয়। সাধারনের দৃষ্টিতে এটা একই রকম হলেও ডাক্তারী ভাষায় অঙ্গ দুটি ভিন্ন। গোপন নালী হল গোপনাঙ্গ সঞ্চালন এবং সন্তান প্রসবের পথ – পক্ষান্তরে গোপনদ্বার হল গোপনাঙ্গ গ্রহন এবং নারীকে আনন্দদানের কেন্দ্রবিন্দুগবেষনায় তারা ৩৯ জন নারীর গোপন নালী এবং গোপন মুখের পর্দার রঙ – আকার – পুরুত্ব, জরায়ুর অবস্থান, পায়ুনালীর অবস্থান ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করেন। ফলাফলে তারা জানাতে পারেন “নারীর গোপনাঙ্গের গঠনে ব্যাক্তিবেধে বিস্তর তারতম্য রয়েছে”