জমজমাট চলছে এশিয়া কাপের আসর। এরই মধ্যে ফাইনালে চলে গেছে ভারত। আজ অঘোষিত সেমিফাইনালে অংশ নেবে বাংলাদেশ এবং পাকিস্থান। তাই আজকের ম্যাচ নিয়ে সবার মাঝেই কাজ করছে অন্য রকম এক উত্তেজনা। তবে সকল ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

কিছুর অবসান ঘটিয়ে জিতে গেছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত।

সাকিব আল হাসান নেই, নেই তামিম ইকবাল। ইনজুরি নিয়ে খেলেছেন মুশফিকুর রহীম এবং অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। দলের নিউক্লিয়াস যারা, তাদেরই অধিকাংশ নেই কিংবা ইনজুরি আক্রান্ত। এমন একটি দল নিয়েই এশিয়া কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেলো বাংলাদেশ।

তবে পুরো টুর্নামেন্টে ওপেনিং নিয়ে ভুগছে বাংলাদেশ। তার মধ্যে সাকিবের অনুপস্থিতিতে মিডল অর্ডার নিয়েও বাড়ে দুশ্চিন্তা। এই অবস্থায় দলের মনোবল টিকিয়ের রাখতে সতীর্থদের উজ্জীবিত করলেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

ম্যাচ শেষে মুশফিকুর রহীম জানালেন, ম্যাচটা যুদ্ধ হিসেবে চিন্তা করে সবাই নিজেদের সর্বস্ব দেওয়ার জন্যই নেমেছেন। আর তাতেই পাকিস্তানকে হারিয়ে আরও একবার এশিয়া কাপের ফাইনালে চলে গেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ দল ম্যাচের আগে যখন কথা বললেন, তখন মাশরাফি বিন মুর্তজা সবাইকে বললেন, নিজেদের উজাড় করে দিতে। বাকিটা মুশফিকের মুখেই শুনুন, ‘সবাই মিলে একটাই কথা বলেছি। মাশরাফি ভাই যেমন বলেছেন, যুদ্ধে নামলে পেছনে তাকিয়ে থাকার উপায় নেই। যুদ্ধে নেমে গা বাঁচিয়ে চলার উপায় নেই। হয় মারো, নয়তো মরো। আমরা ফল নিয়ে চিন্তা না করে আমাদের ১০০ ভাগ দেওয়ার চিন্তা করেছি।’

কালকের ম্যাচে সাকিব-তামিম তো ছিলেনই না, মুশফিকও চোটের জন্য পরে আরকিপিং করতে পারেননি। অবিশ্বাস্য এক ক্যাচ নিতে গিয়ে আঙুলে ব্যথা পেয়েছেন মাশরাফি, ক্ষণিকের জন্য মাঠ ছেড়েছিলেন। ওই সময় মাঠে ছিলেন না মাহমুদউল্লাহও।

সাময়িকভাবে দায়িত্ব ছিল মিরাজের কাঁধে। মুশফিক মনে করিয়ে দিলেন, এই বাংলাদেশ একক কোনো ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং সবাই নিজেকে উজাড় করে দেন এখানে, ‘অনেক সময় দেখা গেছে, আমি হয়তো থাকব না। অন্য কেউ, বা আমাদের পাঁচজনও নাও থাকতে পারে। কিন্তু কাউকে না কাউকে দায়িত্ব নিতে হবে। আমি মনে করি, জুনিয়ররাই আজকের ম্যাচের সবচেয়ে বড় হিরো।’