এড়িয়ে যাবেন না কোনভাবেই । অদ্ভুত রকমের অসহায় লাগছে। উপক্রমণিকা টানার মানসিকতা হচ্ছে না। পেইন কিলার রেনেটা লিমিটেডের রোলাক ওষুধ কেনার আগে বেশকিছু বিষয় খেয়াল করছেন তো। কারণ যারা ফার্মেসিতে কাজ করে তারা যে কোম্পানীর ঔষধ লিখে, ফার্মেসির কর্তারা সেটা চেঞ্জ করে নাম সর্বস্ব কোম্পানির ঔষধ দেন। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
যেহেতু সরকার অনুমোদিত আর এম আর পি একই, তাই মানের দিকেও হয়তো উনিশ আর বিশ হবে সেটা ভেবে অনেকেই একাজ করেন।কিন্তু রোগী যখন এসে বলে, ওমুক প্রফেসর, তমুক স্যারকে দেখাইছি, কিন্তু রোগই ধরতে পারে না। ওষুধে কোন কাজ করে না, ব্যাথাই কমেনা। তখন দোষটা ডাক্তারের নাকি ওষুধ বিক্রেতার সেটাই আড়াল হয়ে যায়।
আজ একজন ফার্মেসি ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলছিলাম, তার ব্যবসার লাভ লোকসান নিয়ে। সে বললো, লাভ লোকসান নির্ভর করে অভিজ্ঞতার উপরে।কথা বলতে বলতে বোঝালেন, নতুন ব্যবসায়ীদের লাভ থাকে 10-12% আর পুরাতন দের গড়ে 35-40%।
ছবিতে খেয়াল করলে বিষয়টি স্পষ্ট হয়, রোলাক(রেনাটা) প্রতি পাতা কেনা ৮৮ টাকা, বিক্রি ১০০ টাকা, কেটো রোলাক(ব্রিস্তল ফারমা) প্রতি পাতা কেনা ৪ টাকা, আর বিক্রি ১০০ টাকা। মনে রাখা জরুরি, ৪ টাকায় যে ঔষধটি বিক্রি করেছে, সে কিন্তু লাভ ছাড়া বিক্রি করে নাই। সুতরাং এটা কেমন পেইন কমাবে, সহজেই অনুমেয়। এটা গেল গরিব আর অশিক্ষিত মানুষদের ঠকানোর পদ্ধতি।
কিন্তু একজন শিক্ষিত মানুষ, এমনকি একজন ডাক্তারকেও বোকা বানানোর পদ্ধতি দেখার পর থেকে বেশি অসহায় লাগা শুরু করেছে। আপনি যখন দোকানে যেয়ে, প্রিস্কিপ্তিওন দেখিয়ে ৫ টি রোলাক চাইবেন, এক সাথে রাখা রোলাক আর এর পাতার মধ্য থেকে এমনভাবে কেটে আপনার হাতের দিবে, তখন আপনি আপনার হাতের ওষুধে শুধু লেখা দেখবেন রোলাক। তার মানে ২ টাকার ঔষধ আপনি নিয়ে আসলেন ৫০ টাকায়।
তাই ফার্মেসী থেকে ওষুধ কেনার আগে অবশ্যই কোন কোম্পানির ওষুধ কিনছে সেটা দেখে নিবেন। না হলে প্রতারণার শিকার হবেন আপনিও।




