বিয়ের পর কিছু জোড়ি গর্ভ নিরোধক ঔষদ নেওয়া একদম পছন্দ করে থাকে না। আর এই ভুলটি তাদের উপর ভারীর হয়ে যেতে পারে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আর আজ আমরা এই মামলা নিয়ে কিছু অজানা কথা আপনাদের জানাতে চলেছি। আর আজ আমরা আপনাদের এমন কিছু কথা বলব যার সাহায্যে আপনি প্রেগনেসি খুব সহজে আটকাতে পারবেন। আর এমনিতে কন্ডোম আর কিছু গর্ভ নিরোধক ঔষধ এর ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

ঋতুস্রাব ধর্ম–
মাসিক ধর্মের উপর নজর দেওয়া সব থেকে বেশী জরুরি হয়ে থাকে। আর এটি কখন শুরু হয়ে থাকে আর কবে এটি শেষ হয়ে থাকে তাঁর উপর নজর দেওয়া বেশী জরুরি । ঋতুস্রাব ধর্ম শুরু হাওয়ার আগে আবার ঋতুস্রাব ধর্ম শেষ হাওয়ার পরে সম্মন্ধ করলে গর্ভবতী হাওয়ার হাত থেকে সম্পূর্ণ ভাবে আটকানো যায় না।

ফিমেল জন্ম নিরোধক উপায় ব্যবহার –
মহিলাদের ক* ন্ডো* ম লোটেক্সের তৈরি হয়ে থাকে ।আর এটি মেয়েদের জো* নীতে এমন ভাবে বসিয়ে দেওয়া হয়ে থাকে আর যাতে থলীটি খুব ভালো ভাবে সেখানে বসে যেতে পারে। আর এই জন্ম নিরোধক উপায় সম্মন্ধের পরে দ্রুত গোতীতে বেরিয়ে আশা পতনকে এক জায়গায় জমিয়ে দিয়ে থাকে।

ডাইফ্রাগমস –
সকল মহিলার জো* নীর আকার বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। আর ঠিক প্রকারের আকারের সাথে ডাইফ্রাগমস বসিয়ে দিলে গর্ভ নিরোধক এর হাত থেকে সহজে বাঁচা যেতে পারে। আর এটি যদি সঠিক ভাবে না বসে থাকে তাহলে এটি একদম কার্যকরী হবে না।

মধুর মিলনের পর প্রস্বাব করা –
সহবাসের পর যদি কোন মহিলা প্রস্বাব করে থাকে তাহলে গর্ভ বতী হাওয়ার হাত থেকে খুব সহজে বাঁচা যায়। প্রস্বাবের সাথে জোনীর ভেতরে থাকা পতন বাইরে বেরিয়ে আসে খুব সহজেই ।আর যার ফলে গর্ভবতী হাওয়ার হাত থেকে খুব সহজে বাঁচা গিয়ে থাকে।

স্টরলাইজেশন –
স্টরলাইজেশন একটি বড় প্রক্রিয়া আর সব থেকে কার্যকরী প্রক্রিয়া এই প্রেগনেন্ট হাওয়ার হাত থেকে বাঁচার জন্যে। আর এটি পুরুষ আর মহিলার মধ্যে এক প্রকার সার্জারি করা হয়ে থাকে ।আর এটিতে ট্যুব কে সীল করে দেওয়া হয়ে থাকে।