সাফ ফুটবল। কেউ কেউ এই টুর্নামেন্টকে কায়দা করে একটা নাম দিয়েছেন-দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ! এই টুর্নামেন্টের শুরুটা হয়েছিল ১৯৯৩ সালে। শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যকার ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
এই টুর্নামেন্টের নাম বদল হয়েছে তিনবার। শুরু হয়েছিল সার্ক গোল্ডকাপ নামে। দুই বছর পরে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক ফুটবল শ্রেষ্ঠত্বের এই টুর্নামেন্টের নাম করা হল সাউথ এশিয়ান গোল্ডকাপ। ঠিক তার দু’বছর পর নতুন আরেকটা নাম পেল এই টুর্নামেন্ট; সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ!
আজ থেকে ঢাকায় শুরু হলো দক্ষিণ এশীয় ফুটবল শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১২তম আসর। সাফ চ্যাম্পিয়শিপকে দক্ষিণ এশীয় ফুটবলের বিশ্বকাপের মর্যাদা দেয়া হয়। সর্বশেষ মাত্র একবারই ২০০৩ সালে নিজ মাঠে অনুষ্ঠিত আসরের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ।বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বিকাল ৪টায় প্রথম খেলায় মুখোমুখি হয়েছে নেপাল ও পাকিস্তান।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ সম্প্রচারের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রথম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। খেলাটি সরাসরি সম্প্রচার করছে বিটিভি। এবারের আসরে ভুটানের বিপক্ষে আজ দিনের শেষ ম্যাচ দিয়ে নিজেদের সাফ মিশন শুরু করলো স্বাগতিক বাংলাদেশ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ এক শূন্য গোলে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ।
সুদীর্ঘ ১৫ বছর পর শিরোপা পুনরুদ্ধারের মিশনে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৭টায় ভুটানের মুখোমুখি হয় লাল সবুজ জার্সিধারীরা। খেলার মাত্র ২ মিনিটেই ভূটানের টিশেরিং ডিরজির ফাউলে পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ। সেই পেনাল্টি থেকেই গোল করেন তপু বর্মণ। এখান থেকেই এক গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। সবশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২৫ মিনিটের খেলা সম্পন্ন হয়েছে।
স্বাগতিক বাংলাদেশের সঙ্গে ‘এ’ গ্রুপের অন্য দলগুলো হচ্ছে নেপাল, ভুটান ও পাকিস্তান। এছাড়া, গ্রুপ বি’তে আছে ভারত, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা। সাফের গত তিন আসরে ব্যর্থ হলেও এবার বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি বেশ ভাল। কাতার ও কোরিয়ায় প্রস্তুতি ক্যাম্পে অংশ নিয়েছে তারা। ইন্দোনেশিয়ায় সদ্য সমাপ্ত এশিয়ান গেমসে দারুণ পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে জেমি ডে’র দল।
তাই নিজেদের ইতিহাসে সাফের দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও স্বাগতিক বাংলাদেশ।





