আজ নেপালে চতুর্থ বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী নেপালে যান।আজ সকাল ৮টার দিকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী এবং তার সফরসঙ্গীরা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

থেকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। নেপালের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান কাঠমান্ডুতে অবতরণ করে।

সেখোনে গিয়ে সম্মেলনের সাইড লাইনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে।বৃহস্পতিবার চতুর্থ বিমসটেক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কাঠমান্ডুর হোটেল সোয়ালটি ক্রাউনি প্লাজায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদ সম্মেলন করেন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতা থেকে শুরু করে বাংলাদেশের উন্নয়নে ভারতের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের এই বন্ধুত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই। নরেদ্র মোদী বলেন, পারস্পরিক সুবিধার জন্য আমরা একে অপরের সহযোগিতা চাই।বৈঠকে দুই প্রধানমন্ত্রী দু’দেশের জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে একযোগে কাজ করার বিষয়ে একমত হন।

দুই নেতা সাত-জাতি গ্রুপের ভবিষ্যৎ নিয়েও উচ্চাশা প্রকাশ করেন। প্রেস সচিব তাদের উদ্ধৃত করে করে বলেন, ‘তারা বলেছেন— আমরা আমাদের পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে চাই এবং এতে বিমসটেকের সকল সদস্য দেশ লাভবান হবে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান ও পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

পরে সন্ধ্যায় হায়াত রিজেন্সি হোটেলে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির দেয়া নৈশভোজে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য বিমসটেক নেতৃবৃন্দ যোগ দেন।