তবে রূপচর্চায় নয়, খাবার তেল হিসেবে ক্ষতিকর।‘কোকোনাট অ্যান্ড আদার নিউট্রিশনাল এরোরস’ শীর্ষক এক আলোচনায় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কারিন মিশেল্স নারিকেল তেলকে ‘বিশুদ্ধ বিষ’ হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করেছেন। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ত্বক, চুল এমনকি সুস্বাস্থ্যের জন্যও আদর্শ উপাদান হিসেবে সুপরিচিত নারিকেল তেল। তবে আমেরিকাল হার্ট অ্যাসোসিয়েশন (এএইচএ) ২০১৭ সালে নারিকেল তেলকে হৃদরোগের জন্য দায়ী করে সতর্কবানী দেয়। কারণ হিসেবে বলা হয়, নারিকেল তেলে আছে প্রচুর পরিমাণে ‘স্যাচুরেইটেড ফ্যাট’।

হার্ভার্ডের ‘এপিডেমিওলজি’র অধ্যাপক কারিন মিশেল্স তার বক্তব্যে নারিকেল তেলকে ‘লার্ড’ অর্থাৎ শুকরের চর্বির চাইতেও বেশি ক্ষতিকর হিসেবে তুলে ধরেন।

তার মতে, নারিকেল তেলে প্রচুর পরিমাণে ‘স্যাচু্রেইটেড ফ্যাটি অ্যাসিড’ থাকে যা ধমনীতে রক্ত প্রবাহ আটকে দিতে পারে। নারিকেল তেলকে একটি অন্যতম বাজে খাবার হিসেবে অ্যাখায়িত করে সতর্ক করেন এই অধ্যাপক।

তার এই সতর্কবাণী অনেকের কাছেই আশ্চর্যজনক। কারণ বহু বছর ধরে নারিকেল তেল সুস্বাস্থ্যের জন্য আদর্শ উপকরণ হিসেবে মানুষের সামনে তুলে ধরা হয়েছে অসংখ্যবার। তবে নারিকেল তেলের এই স্বাস্থ্যগুণের পেছনে কোনো শক্ত যুক্তি বা প্রমাণ ছিল না।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টিবিদ্যার অধ্যাপক ড. ফ্র্যাঙ্ক স্যাক্স অধ্যাপক মিশেলের সঙ্গে একমত হয়ে বলেন, “নারিকেল তেলে প্রচুর পরিমাণে থাকা ‘স্যাচুরেইটেড ফ্যাট’ ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা ‘এলডিএল’য়ের মাত্রা বাড়ায়। তাই নারিকেল তেল খাওয়া ক্ষতিকর।”

করণীয়
নারিকেল তেল স্বাস্থ্যকর নাকি ক্ষতিকর, দুই দিকের দাবিতেই যথেষ্ট গবেষণার অভাব রয়েছে। তাই এই তেল গ্রহণের পরিমাণের দিকে সতর্ক দৃষ্টি দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

তবে যদি বিকল্প চান তবে বেছে নিতে পারেন ‘ভার্জিন অলিভ অয়েল’।